আগামী ৩০ শে সেপ্টেম্বর ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। এই উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রার্থী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সর্বধর্ম গুরু একসাথে সমন্বিত হয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন। সম্মেলনের প্রতিনিধিত্ব করেন টালিগঞ্জ সম্বধি বিহারের বৌদ্ধ ধর্মগুরু ড. অরুণজ্যোতি ভিক্ষু। তিনি বলেন, বাংলার ধর্ম সমাজ মমতা মুখী, সাম্প্রদায়িক মানসিকতার বিরুদ্ধে, অহিংসা ও মৈত্রীর আহবানে ভবানীপুর বিধানসভার উপনির্বাচনের আগে সব ধর্মের ধর্মগুরুরা মিলে মমতার ধর্ম সূচনা করলেন। তিনি আরো বলেন পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময় পুরহিত থেকে ইমাম ভাতা সম্প্রীতির বার্তা , লক্ষী ভান্ডার, কন্যাশ্রী , সবুজ সাথী, স্বাস্থ্য সাথী, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড সহ বিভিন্ন ধর্মের উৎসব নিষ্ঠা সহকারে পালন করা হয়। আমরা প্রার্থনা করছি আগামী ৩০ শে সেপ্টেম্বর এর ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।
উপস্থিত ছিলেন খ্রিস্টধর্মের পক্ষ থেকে ফাদার রেভ বিশপ ডঃ শ্রীকান্ত দাস , তিনি বলেন এই বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয় আসবে আমরা নিশ্চিত। সরকারি সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা আমরা পাচ্ছি। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ম নিয়ে হানাহানি চললেও রাজ্যে ধর্ম নিয়ে হানাহানি নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের সম্প্রীতির একটি আবহাওয়া তৈরি করে রেখেছেন।
ইসলামিক ধর্ম গুরু সৈয়দ শাহ আতিফ আলী আল কাদেরী বলেন , উত্তর প্রদেশ থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজ্যে অনেক দলিত মুসলিমরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন । মানুষের বাক স্বাধীনতা খর্ব করা হচ্ছে , কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে রয়েছে ধর্মীয় সম্প্রীতির ভারতের যে কোন রাজ্য থেকে অনেক বেশি রয়েছে এই বাংলায় তাই আমরা ধর্মগুরু হয়েও কৃতজ্ঞতা সহিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এই উপনির্বাচনে জয়ী করার অনুরোধ জানাচ্ছি মানুষের কাছে।
এছাড়া এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ সারদা মিশন এর শ্রীমৎ উত্তমানন্দ মহারাজ, বচ্চন সিং সরল, মনি মহারাজ।
সাংবাদিক সম্মেলন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক মঞ্চ বলে দাবি করেন ধর্মগুরুরা।