এবছর এসইআরবি-স্টার পুরস্কার প্রাপকদের অন্যতম হলেন কলকাতার ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (আইআইএসইআর)-এর কেমিক্যাল সায়েন্সের অধ্যাপক ডঃ সায়ন ভট্টাচার্য। অন্যান্য পুরস্কার জয়ী বিজ্ঞানীদের মধ্যে রয়েছেন কলকাতার ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্সের অরগ্যানিক কেমিস্ট্রির অধ্যাপক ডঃ রাজীব কুমার গোস্বামী, ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্সের অরগ্যানিক কেমিস্ট্রির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসার ডঃ শান্তনু মুখোপাধ্যায়, পুনের আইআইএসইআর-এর বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ডঃ সুতীর্থ দে, টিআইএফআর-এর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিয়োরেটিক্যাল সায়েন্সেস-এর ফিজিক্যাল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ডঃ সমৃদ্ধি শঙ্কর রায়, সম্বলপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়ো-ফিজিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের সহ অধ্যাপক ডঃ হীরক চক্রবর্তী, হায়দ্রাবাদ আইআইটি-র মেটিরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অধ্যাপক ডঃ পিনাকী প্রসাদ ভট্টাচার্য এবং ভোপালের আইআইএসইআর-এর বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস-এর সহ অধ্যাপক ডঃ সৌরভ দত্ত।
এসইআরবি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অ্যাওয়ার্ড ফর রিসার্চ (এসইআরবি-স্টার) পুরস্কারটির প্রবর্তক ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ বোর্ড (এসইআরবি)। এই পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য গবেষকদের স্বীকৃতি এবং পুরস্কার দেওয়া। এসইআরবি বিজ্ঞান এবং কারিগরি ক্ষেত্রে মৌলিক গবেষণায় সহায়তা দেয় বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচির মাধ্যমে। গত কয়েক বছরে এসইআরবির আওতায় গবেষকদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁরা দেশের বিজ্ঞান ও কারিগরি ক্ষেত্রে অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছেন। তাঁদের গবেষণার মাধ্যমে সেই অনন্য অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্যই এসইআরবি- স্টার-এর এই উদ্যোগ। এছাড়া, মৌলিক গবেষণায় উৎসাহিত করাও চলতি পরিকল্পনার লক্ষ্য।
ডঃ সায়ন ভট্টাচার্যের গবেষণা ন্যানো মেটিরিয়াল নিয়ে। তাঁর চলতি গবেষণাগুলি হল ক) ফটো ভোল্টাইক্স : ন্যানো ক্রিস্টাল অ্যাসিসটেড মেটাল হ্যালাইড, পেরোভস্কাইট, সোলার সেল্স, খ) ইলেক্ট্রো ক্যাটালিটিক অ্যান্ড ফোটো ক্যাটালিটিক হাইড্রোজেন জেনারেশন, এন২ এবং সিও২ ( নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাই অক্সিজেন হ্রাস) রিডাকশন, গ) জিঙ্ক এয়ার ব্যাটারি অ্যান্ড ফোটো রিচার্জেবেল ব্যাটারি।
ডঃ রাজীব কুমার গোস্বামীর গবেষণার বিষয়, অ্যাসাইমেট্রিক সিন্থেসিস অফ বায়ো- অ্যাক্টিভ ন্যাচারাল প্রোডাক্টস এবং অনন্য জৈব রূপান্তরের জন্য পদ্ধতির বিকাশ ঘটানো এবং প্রাকৃতিক পণ্যের রোগ নিরাময়যোগ্য জৈব প্রয়োগ।
ডঃ শান্তনু মুখোপাধ্যায়ের গবেষণা ইন্যানশিওসিলেক্টিভ ক্যাটালিসিস নিয়ে এবং তিনি তাঁর গবেষণায় বিশেষ জোর দিয়েছেন ‘নিউ ক্যাটালিটিক ইন্যান্শিওসিলেক্টিভ ট্রান্সফরমেশন’ নিয়ে।
ডঃ সুতীর্থ দে-র গবেষণার বিষয় বাস্তুশাস্ত্রের অন্বেষণ এবং জনসংখ্যা ও জনগোষ্ঠির বিবর্তন।
ডঃ সমৃদ্ধি শঙ্কর রায়ের গবেষণার বিষয়- ‘নন ইক্যুইলিব্রিয়াম স্ট্যাটিসটিক্যাল ফিজিক্স’ এবং ‘ফ্লুইড ডায়নামিক্স’ ইন্টারফেস। তাঁর গবেষণার মূল বিষয়টি হল- ‘টার্বুলেন্স অ্যান্ড টার্বুলেন্ট ট্রান্সপোর্ট’ বিষয়ে।
ডঃ হীরক চক্রবর্তী কাজ করছেন ১)রোল অফ মেমব্রেন কম্পোজিশন অন অলিগোমারাইজেশন অফ মেমব্রেন-বাউন্ড পেপটাইডস এবং ২) ডেভেলপিং ব্রড- স্পেকট্রাম পেপটাইড-বেসড মেমব্রেন ফিউশান ইনহিবিটার্স-এর সৃষ্টি।
ডঃ পিনাকী প্রসাদ ভট্টাচার্যির গবেষণা প্লাস্টিকের ‘ক্রিস্টালোগ্রাফিক টেক্সচার’ ও ধাতুর বিকৃতি ও তার পুনরুদ্ধার
নিয়ে।
ডঃ সৌরভ দত্তের গবেষণার বিষয়- উদ্ভিদের কোষবৃদ্ধির চর্চার প্রয়োজনে রুট হেয়ারকে মডেল হিসেবে গণ্য করা ।
