ডিজিটাল; ২২ মে: কেন্দ্রীয় খাদ্য ও গণবন্টন মন্ত্রক অপুষ্টি, রক্তাল্পতা ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ঘাটতিগুলি দূর করতে পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ চালের বন্টন কর্মসূচি রূপায়ণে নিরলস কাজ করে চলেছে। দপ্তরের মজুত ও গবেষণা শাখা বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে বন্টনের জন্য চাল সংগ্রহ থেকে সেগুলিকে পৌষ্টিক উপাদানে সমৃদ্ধ করার সমগ্র প্রক্রিয়ায় যাতে আদর্শ গুণমান বজায় থাকে – তা তদারকি করছে। অভ্যন্তরীণ সরবরাহ-শৃঙ্খলের মাধ্যমে সমগ্র কর্মসূচির মসৃণ রূপায়ণে ও কাঙ্খিত গুণমান বজায় রাখতে দপ্তর একটি আদর্শ কার্যপরিচালন প্রণালী প্রস্তুত করে। এই প্রণালী গত মার্স মাসে জারি করা হয়েছে।
পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ চালের কাঙ্খিত গুণমান বজায় রাখতে কার্যপরিচালন প্রণালীতে সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের প্রতিটি পর্যায়ে ভূমিকা ও দায়িত্ব পালনের কথা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
দপ্তর একদিকে যখন সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের ভূমিকা ও দায়িত্ব স্থির করে দিয়েছে, তখন ভারতের খাদ্য সুরক্ষা ও গুণমান কর্তৃপক্ষ (এফএসএসএআই) সমগ্র কর্মসূচিটি রূপায়ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই কর্তৃপক্ষ ২০১৮’র খাদ্য সুরক্ষা গুণমান (খাদ্যের পুষ্টিগুণ বজায় রাখা) আইন এবং ২০১১’র খাদ্য সুরক্ষা ও গুণমান (খাদ্য সামগ্রীর গুণমান ও বিভিন্ন উপাদান সংযোজন) নিয়ন্ত্রণ বিধির মাধ্যমে চাল সহ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ খাদ্য পণ্যের আদর্শ গুণমান বিজ্ঞাপ্তিত করেছে। এফএসএসএআই রাজ্যের এক্তিয়ারে থাকা ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর টেস্টিং অ্যান্ড ক্যালিবারেশন ল্যাবরেটরিজ স্বীকৃত পরীক্ষণাগারগুলির তালিকা প্রস্তুত করছে, যারা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ চালের গুণমান যাচাইয়ের কাজ করবে।
উল্লেখ করা যেতে পারে, রাইস ফর্টিফিকেশন বা চালকে পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ করা এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে আয়রণ, ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন বি-১২’র মতো মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট উপাদান সংযোজন করা হয়। এ ধরনের চাল রক্তাল্পতার সমস্যা দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর এবং এক ব্যয় সাশ্রয়ী কৌশল
