ডিজিটাল; ৩ আগস্ট: বিড়ি শ্রমিক এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের উন্নয়ন এবং কল্যাণের জন্য শ্রমিক কল্যাণ কর্মসূচি আছে যার তিনটি অংশ (স্বাস্থ্য, বৃত্তি এবং আবাসন) –

বিড়ি শ্রমিক এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য সারা দেশে ২৮৫টি ডিসপেনসরি এবং ১০টি হাসপাতাল আছে। ক্যান্সার, টিউবারকিউলোসিস, হৃদরোগ, কিডনি প্রতিস্থাপন, হার্নিয়া, অ্যাপেন্ডেকটম, আলসার, স্ত্রীরোগ, প্রস্ট্রেট রোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাধির ক্ষেত্রে সরকার স্বীকৃত হাসপাতালে বিশেষ চিকিৎসার জন্য খরচ দেওয়ারও ব্যবস্থা আছে। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের ২২ জুলাই পর্যন্ত মোট বরাদ্দ ১৫.৬৩ কোটি টাকার মধ্যে ০.৬২ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।

বিড়ি শ্রমিকদের সন্তানদের প্রথম শ্রেণী থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত প্রতি বছর ছাত্রপিছু ১ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা শিক্ষাবাবদ আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের ২২ জুলাই পর্যন্ত মোট বাজেট বরাদ্দ ৬১.৪২ কোটি টাকার মধ্যে ০.০২ কোটি টাকা এবাবদ ব্যয় হয়েছে।

২০১৬-র সংশোধিত সুসংহত আবাসন কর্মসূচির অধীনে পাকা বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রতি বিড়ি শ্রমিকপিছু ২৫:৬০:১৫ অনুপাতে অর্থাৎ, যথাক্রমে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা, ৯০ হাজার টাকা এবং ২২ হাজার ৫০০ টাকা তিনটি কিস্তিতে মোট ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এই কর্মসূচিটি এখন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অন্তর্গত হয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের ২২ জুলাই পর্যন্ত মোট বাজেট বরাদ্দ ৪২.৯৫ কোটি টাকার মধ্যে ৫.৬১ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।

রাজ্যসভায় লিখিত জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী রামেশ্বর তেলি।