আসন্ন দুর্গাপূজাতে সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে উৎকর্ষিনী সম্মান ২০২১ এর উদ্বোধন করলেন শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক এবং মন্ত্রী ডাক্তার শশী পাঁজা।
এবার এই সম্মানের তৃতীয় সংস্করণ। এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এই উৎকর্ষিনী সম্মানের সূচনা করা হয়। এবছর মোট ২৩টি বিভাগে এই সম্মান প্রদান করা হবে পুজো কমিটি গুলোকে। বিভাগ গুলি হল উদ্বোধনী চমক , সেরা চালচিত্র, সেরা মায়ের সাজ , সৃজনশীল পুজো ভাবনা, সেরা প্রতিমা , VIEWERS’ CHOICE , সেরা আবহ সঙ্গীত , সেরা পরিবেশ বান্ধব পুজো , সেরা অলঙ্কার , সেরার সেরা , নারীশক্তি ,হৃদয়স্পর্শী পুজো, প্রথম চেষ্টা (সেরা চমক) , প্রত্যাবর্তন , মণ্ডপ সম্মান, পুরো হিট পুরোহিত , সেরা মহিলা পরিচালিত পুজো, ধুনুচি নাচ , হাত বাড়ালেই বন্ধু, শিশু শিল্পী(শঙ্খ,কাঁসর), সেরা প্রতিমা শিল্পী, সেরা আলোকসজ্জা , সেরা দৃশ্যায়ণ।
এই সম্মানের পুরো ব্যাবস্থাপনা যিনি করেছেন তিনি হচ্ছেন সমাজসেবী পূজা পাঁজা।


এই সম্মানে বারোয়ারী এবং আবাসন দুই ধরনের পুজো নিজেদের নাম রেজিস্টার করতে পারবে। উৎকর্ষিনী সম্মান বিশেষত ছোট এবং মাঝারি বাজেটের পুজোকে উদ্বুদ্ধ করার জন্যই শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন দুর্গাপুজো আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব। আমার বিধানসভা অঞ্চলে বড় পুজো গুলো ছোট গুলোকে আগাগোড়াই সাহায্য করে এসেছে এবং করোনা ও তার সাথে ঘূর্ণিঝড় যশের প্রভাবে প্রভাবিত মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন পূজা কমিটি গুলো।
ইতিমধ্যেই ৭০ টির বেশি পুজো কমিটির নিজেদের নাম রেজিস্টার করিয়েছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হবে দুর্গা পুজোর পরে সম্পন্ন করা হবে করোনা পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেই। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই সম্মান এর ব্যানার বড় পুজো কমিটির পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হলো ছোট পুজো কমিটি গুলোর হাতে।