লোকাল ট্রেন চালানো নিয়ে রাজ্য সরকার এখনো পর্যন্ত সায় দিতে চাইছে না। এমনই ইঙ্গিত পাওয়া গেল সাংবাদিক সম্মেলনে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, রাজ্যে যে বিধি নিষেধ রয়েছে তা করোনা সংক্রমণ কে ঠেকানোর জন্য। সেই সংক্রমণকে আগে কমাতে হবে। যদি এর মধ্যে ট্রেন চলাচল করে তাহলে অনেক বেশি মানুষ আক্রান্ত হবেন।
আপাতত রাজ্যে জরুরী পরিষেবা সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের জন্য স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে রেল। বিভিন্ন জায়গায় এই ট্রেন চালানোর দাবিতে বিক্ষোভ হচ্ছে প্রায় প্রতিদিন। কিন্তু এখনই যদি লোকাল ট্রেন চলে তাহলে সে ক্ষেত্রে সংক্রমনের যে গ্রাফটা ঊর্ধ্বমুখী হবে বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল। অন্যদিকে নিত্যযাত্রীদের বক্তব্য সেক্ষেত্রে তাদের রুটি-রুজির একটা সমস্যা এসে দাঁড়াচ্ছে।
রাজ্যে আপাতত ৩০ শে জুন পর্যন্ত বিধিনিষেধ জারি থাকবে। এই বিধি-নিষেধ আরো বাড়বে কিনা তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, দোকান বাজার চালু আছে। অন্যান্য রাজ্যে লকডাউন হয়েছে, কিন্তু এখানে তা করা হয়নি। ওয়ার্ক ফ্রম হোম করা হয়েছে সরকারি কিংবা বেসরকারি বহু ক্ষেত্রে।
রাজ্যের বিধি-নিষেধের সময়সীমা আরো বাড়ে কিনা অথবা লোকাল ট্রেন পরিষেবা কবে থেকে শুরু হয় তা জানা যাবে আগামী দিনই।