ওয়েব ডেস্ক; ২৫ মার্চ : মহিলাদের গৃহস্থালী ও সংসারের অন্যান্য কাজকর্ম বাড়ির বাইরে কলকারখানা বা অফিস আদালতে কাজের থেকে কোন অংশে ছোট নয় তাই মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তুলতে এবং হোম মেকার ও কর্মরতা মহিলাদের মধ্যে আর্থিক বৈষম্য দূর করতে প্রত্যেক পরিবারের গৃহকত্রীকে আইন মোতাবেক বাধ্যতামুলকভাবে প্রতিটি পরিবার থেকে বেতন দেওয়া উচিৎ বলে মনে করেন উডল্যান্ডস মাল্টিস্পেসালিটি হসপিটালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও ডা রূপালী বসু। সম্প্রতি ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্টি (ফিকি)র মহিলা শাখা আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ডা. বসু তাঁর এই দাবীর কথা তুলে ধরেন।
ডা. বসুর কথায় দিনের শেষে একমাত্র আর্থিক বৈষম্য দূর করেই একজন ক্ষমতাহীন একজন ক্ষমতাবানের সমকক্ষ হয়ে উঠতে পারে। ভারতে মহিলাদের সংসারের কাজের শ্রমের মূল্য ভারতের জিডিপির ৭.২% এর সমান। পারিশ্রমিক বিহীন সংসারের কাজে পরিশ্রম করে চলা গৃহ বধুদের আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর করতে আজকাল অনেক রাজ্য সরকার মহিলাদের নগদ ভাতা দিচ্ছেন। কিন্তু ডা. বসু মনে করেন যেহেতু এই মহিলাদের পরিশ্রম থেকে তাঁদের পরিবারগুলিই প্রত্যক্ষ ভাবে লাভবান হয় তাই সরকারের উচিৎ করদাতাদের পয়সা এই খাতে ব্যয় না করে আইন করে প্রত্যেক পরিবার থেকে আয়ের একটা অংশকে পরিবারের মহিলাদেরকে পারিশ্রমিক হিসাবে প্রদানের ব্যবস্থা করা। এতে একদিকে যেমন সংসারে মহিলাদের পরিশ্রম মর্যাদা পাবে অন্যদিকে তাঁরা আর্থিক ভাবেও স্বনির্ভর হয়ে উঠবেন। ফিকির এই ‘গোল টেবল বৈঠকে’ অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে শিল্প দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি বন্দনা যাদব, ফিকির মহিলা শাখার সম্পাদক সুধা শিবকুমার এবং সন্মার্গের সম্পাদক ভিবেক গুপ্তা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও কিছুদিন আগে কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ন্ডাস্ট্রিজ আয়োজিত ‘পুরুষদের জগতে মহিলারা’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভায় ডা. রূপালী বসু কে একই দাবী তুলে ধরতে দেখা যায়।
