ওয়েব ডেস্ক; ১ আগষ্ট : বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীন কৃষি এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ -এপিইডিএ এই প্রথম বিমানযোগে কর্ণাটকের নীলম ও তোতাপুরী আম মালদ্বীপে পাঠানোর ব্যবস্থা করল। ৩০ জুলাই এই পণ্য রপ্তানি হয়। এরফলে কর্ণাটকের মরসুমী আমের বৈচিত্র্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিতি দেওয়ার এক উল্লেখযোগ্য রপ্তানি মাইলফলক হয়ে রইল।
আমের এই চালানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন এপিইডিএ-র চেয়ারম্যান অভিষেক দেব। এই কাজে রপ্তানিকারী, এফপিসি, কৃষক এবং অন্য অংশীদারদের সমবেত প্রয়াসের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের ফলে ভারতীয় আমের বিশ্ব পরিচিতি আরও প্রসার লাভ করবে। সেই সঙ্গে মরসুমের শেষের দিকের আমের এই বৈচিত্র্যকে তুলে ধরে কৃষকদের স্থিতিশীল আয়ের প্রসার ঘটবে।
এক মেট্রিক টন নীলম ও তোতাপুরী আম কৃষক সম্পর্কিত সংগঠন কর্ণাটকের কোলার জেলার মেসার্স প্রক্রুথিমায়া ফার্মার্স প্রোডিউসার কোম্পানি লিমিটেড থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা হয়। এই সংগঠনটি নতুন রেজিস্ট্রিকৃত মহিলা উদ্যোগপতি ও রপ্তানিকারী শ্রীমতি অশ্বিনী এ দ্বারা পরিচালিত।
নীলম আম মিষ্টি, রসলো সুগন্ধী, অন্যদিকে তোতাপুরী তার গঠন বৈচিত্র্য ও স্বাদগুণে সমৃদ্ধ। একদিকে তা যেমন খাওয়াও যায় অন্যদিকে তা প্রক্রিয়াকরণের কাজেও লাগে। জুনের মাঝামাঝি সময়ের পর থেকে জুলাই-এর শেষ এই প্রজাতির ফলন আন্তর্জাতিক চাহিদাকে ছাপিয়ে গেছে। বিমানযোগে এই রপ্তানির মধ্যে দিয়ে কর্ণাটকে সমৃদ্ধ বাগিচা ক্ষেত্রে বর্ধিত সম্ভাবনা যেমন প্রতিফলিত হয় তার পাশাপাশি ফার্মার প্রডিউসার সংস্থাগুলি বিশ্ব বাজারের সঙ্গে কৃষকদের সংযোগ গড়ে তুলতে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে তাও ফুটে ওঠে।
এপিইডিএ রাজ্য সরকার, রপ্তানিকারী, ফার্মার প্রডিউসার সংগঠন এবং অন্যান্য অংশীদারী সংগঠন রপ্তানী পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করতে এবং আন্তজার্তিক বাজারে ভারতে উৎপাদিত ফলসামগ্রী তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এর মধ্যে দিয়ে ভারতের কৃষি রপ্তানির একদিকে যেমন বৈচিত্র্য সাধিত হচ্ছে তার পাশাপাশি কৃষক এবং বাগিচা ক্ষেত্রে স্থিতিস্থাপক সম্ভাবনা প্রসার লাভ করছে।
