ওয়েব ডেস্ক; ২০ সেপ্টেম্বর : দুর্গাপুজোর আবহে যখন সেজে উঠছে গোটা দেশ, তখন তানায়রা নিয়ে এল তাদের নতুন ক্যাম্পেন, ‘মায়ের হাত থেকে তোমার হাতে’। মা ও মেয়ের চিরন্তন সম্পর্ক এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে চলা ঐতিহ্যের প্রতি এই ক্যাম্পেন এক আন্তরিক শ্রদ্ধার্ঘ্য। ক্যাম্পেনের কেন্দ্রে রয়েছে একটি আবেগঘন ছবি, যেখানে মা দুর্গার মাতৃগৃহে ফিরে আসার সঙ্গে পুজোর সময় মেয়ের নিজের শিকড়ের কাছে ফিরে আসার এক যোগসূত্র তুলে ধরা হয়েছে। চলচ্চিত্রটিতে একটি মেয়ের জীবনের বিভিন্ন ধাপের মধ্য দিয়ে শাড়ির সাথে তার সম্পর্ক কীভাবে সময়ের সাথে সাথে বদলে যায়, তা তুলে ধরা হয়েছে। শৈশবে মায়ের শাড়ি গায়ে জড়িয়ে সাজা, কৈশোরে মায়ের শাড়ি ধার করে পরা—আর ধীরে ধীরে নিজেই শাড়ি পরার রীতি, ঐতিহ্য এবং তার নানা খুঁটিনাটি আবিষ্কার করে নেওয়া—এই যাত্রাপথেই শাড়ির সঙ্গে গড়ে ওঠে তার নিজস্ব সম্পর্ক।
ক্যাম্পেনটির সঙ্গে রয়েছে তানায়রা’র বিশেষ ‘পুজো ‘২৬ সংস্করণ, যেখানে দুর্গোৎসবের ঐতিহ্যবাহী লাল-সাদা শাড়ি থেকে অনুপ্রাণিত লাল পাড় রেঞ্জ-এ রয়েছে ৩১টি স্বতন্ত্র ডিজাইন। এর পাশাপাশি রয়েছে, মুর্শিদাবাদ সিল্ক, তসর, বেনারসি সিল্ক, অর্গানজা এবং এমব্রয়ডারি সিল্কের নজরকাড়া শাড়ির এক বিশেষ কালেকশন। উৎসবের নানা আমেজ ও আবহের কথা মাথায় রেখে তৈরি এই কালেকশনে ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পের সাথে আধুনিক নান্দনিকতার এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে। এই কালেকশনের শাড়িগুলোর দাম শুরু হচ্ছে আনুমানিক ৪,৯৯৯ টাকা থেকে, যার মধ্যে রয়েছে প্রিমিয়াম হ্যান্ডক্রাফটেড বেনারসি এবং কাঞ্জিভরমের অনন্য সব সৃষ্টি।
ক্যাম্পেনটি সম্পর্কে সোমপ্রভ কুমার সিং, চিফ সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং অফিসার, তানায়রা বলেন, “আমাদের অনেকের কাছেই উৎসবের প্রথম দিকের স্মৃতিগুলো মায়ের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকে—উৎসবের প্রস্তুতিতে মাকে দেখা, ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতিগুলো শেখা এবং প্রথমবার শাড়ির সেই জাদুকরী অনুভূতি অনুভব করা। এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আমরা নারী সমাজের বিভিন্ন প্রজন্মকে এক সুতোয় বাঁধা সেই অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও আবেগঘন মুহূর্তগুলোকে সম্মান জানাতে চেয়েছি। দুর্গাপূজা, যা ঘরে ফেরা ও সার্বজনীন মিলনের বার্তা বহন করে, তা ভালোবাসা, ঐতিহ্য এবং উত্তরাধিকারের গল্পের জন্য এক নিখুঁত প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে। এই ক্যাম্পেনে শাড়িকে কেবল ফ্যাশনের বাহক হিসেবে নয়, বরং স্মৃতি, অনুভূতি ও ঐতিহ্যের এক অমূল্য ভাণ্ডার হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে—যা এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে পরম ভালোবাসায় প্রবাহিত হয়ে চলেছে।”
