ওয়েব ডেস্ক; ১৭ জুলাই : কেন্দ্রীয় আয়ুষ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতাপরাও জাধব কলকাতার সল্টলেকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথি (এন আই এইচ)-তে স্নাতক ছাত্রদের জন্য ছাত্রাবাসের উদ্বোধন করলেন।
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদার ও পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রতাপরাও জাধব বলেন, এনআইএইচ মানেই গুণগত শিক্ষা, ছাত্রদের প্রশিক্ষণ এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি। এনআইএইচ-এর বহির্বিভাগ ও অন্তর্বিভাগ সারা দেশ থেকে আসা রোগীদের পরিষেবা দিয়ে থাকে। প্রতিদিন ৩০০০-এরও বেশি রোগী এখানে চিকিৎসার জন্য আসেন। তিনি জানান, চলতি বছরের ১০ ডিসেম্বর, এনআইএইচ-এর সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে একটি মূল্যায়নের পর এটিকে ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’-এর মর্যাদা দেওয়া হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার সময়সীমার মধ্যে এন আই এইচ-এর পরিকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করছে যাতে আরও উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান করা যায়। আয়ুষ মন্ত্রক এন আই এইচ-এর সার্বিক বিকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই নতুন ছাত্রাবাস ‘বিকশিত ভারত’-এর প্রধানমন্ত্রী্র স্বপ্নপূরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে তিনি মনে করেন।
কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন, এই প্রতিষ্ঠান সাধারণ মানুষের জন্য প্রশংসনীয়ভাবে সাশ্রয়ী মূল্যের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে চলেছে। তিনি এন আই এইচ-কে হোমিওপ্যাথি সংক্রান্ত গবেষণা ও উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি এও বলেন, এনআইএইচ ২০২০-র ‘জাতীয় শিক্ষানীতি’- র আন্তঃবিষয়ভিত্তিক শিক্ষার প্রতিরূপ। তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এন আই এইচ-এর ছাত্রদের প্রধানমন্ত্রীর ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ রূপায়ণে অবদান রাখার জন্য শুভেচ্ছা জানান।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হোমিওপ্যাথি (এন আই এইচ) ১৯৭৫-র ১০ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের অধীন একটি স্বশাসিত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষায় উৎকর্ষতা অর্জন, পেশাদারিত্ব ও নৈতিকতায় সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে ছাত্রছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং জাতীয়তা, ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্ম বা বহুত্ববাদের বাধা অতিক্রম করে সমাজের স্বাস্থ্য চাহিদা পূরণে জ্ঞান ও সেবার মাধ্যমে অবদান রাখা।
