ওয়েব ডেস্ক; ১৬ আগস্ট: পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রকের ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্স অফিস দেশজুড়ে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য ‘সিচুয়েশন অ্যাসেসমেন্ট সার্ভে অফ এগ্রিকালচারাল হাউজহোল্ডস’ সমীক্ষা করে থাকে। এই সমীক্ষা অনুসারে, ২০১৮-১৯ কৃষিবর্ষে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত পরিবারগুলির মাসিক আয় ১০,২১৮ টাকা। সরকারের বিভিন্ন সংস্কারমূলক নীতি এবং নানা ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। মন্ত্রক কৃষিক্ষেত্রের সর্বাঙ্গীণ প্রবৃদ্ধি এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে যে কৌশলগুলি গ্রহণ করেছে সেগুলি হল :
ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি; কৃষিকাজের ব্যয় হ্রাস করা; কৃষকরা যাতে উৎপাদিত ফসলের ভালো দাম পায় তা নিশ্চিত করা; বিভিন্ন ধরনের শস্যের চাষ; মূল কৃষিকাজের পর উৎপাদিত ফসলের অপচয় বন্ধ করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উদ্ভূত সমস্যার নিরসনে সুস্থায়ী কৃষিকাজে গুরুত্ব আরোপ করা।

কেন্দ্রীয় সরকার পিএম-কিষাণ, প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মান ধন যোজনার মতো বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত করছে। এছাড়াও, খরিফ, রবি এবং অন্যান্য শস্যের কৃষিকাজের সময় মোট ব্যয়ের দেড়গুণ যাতে কৃষকরা পান তা নিশ্চিত করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে, গত পাঁচ বছরে কৃষকদের আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

রাজ্যসভায় সম্প্রতি এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন কৃষি ও কৃষককল্যাণ প্রতিমন্ত্রী রামনাথ ঠাকুর।