ওয়েব ডেস্ক ; ১৮ জুলাই : প্যারিস অলিম্পিক আসন্ন। এরই মাঝে সরকারের উচ্চাকাঙ্ক্ষী খেলো ইন্ডিয়া উদীয়মান প্রতিভা অনুসন্ধান (কির্তি) কর্মসূচিকে বিশেষ উৎসাহ দেবেন যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী ডাঃ মনসুখ মান্ডব্য। ডাঃ মান্ডব্য আগামীকাল নতুন দিল্লিতে এই কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের সূচনা করবেন। চলতি বছরের মার্চ মাসে চন্ডীগড়ে কির্তি কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ের সূচনা হয়।
২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে সব রাজ্যের জেলাগুলির জন্য প্রতিভা নির্ণায়ক ২০ লক্ষ বিশেষ কর্মসূচি রূপায়ণের জন্য এই প্রকল্পে জোর দেবেন ডাঃ মান্ডব্য। দেশের প্রতিটি শিশুর কাছে খেলাধূলাকে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে সম্মানীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর চিন্তাভাবনার বাস্তবায়ন হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।
কির্তির প্রথম পর্যায়ে সারা দেশের ৭০টি কেন্দ্রে ৩ লক্ষ ৬২ হাজার ৬৮৩ জন ক্রীড়াবিদ নাম নথিভুক্ত করেন। দেশের ২৮টি রাজ্যে এর মধ্যে ৫১ হাজার ক্রীড়াবিদের মান নির্ণয় করা হয়। মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানা এই দুই রাজ্য সর্বদাই খেলো ইন্ডিয়ায় ভালো ফলাফল করে। এই দুই রাজ্যে যথাক্রমে ৯ হাজার ১৬৮ এবং ৪ হাজার ৮২০ জনের ক্রীড়া নৈপুণ্য পরীক্ষা করা হয়। আসাম তৃতীয় স্থানে ছিল। এখানে ৪ হাজার ৭০৩ জনের দক্ষতা নির্ণয় হয়।

প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের ১১টি বিভাগে মান নির্ণয় করা হয়। এর মধ্যে তীরন্দাজী, অ্যাথলিটস্‌, কুস্তি, ফুটবল, হকি, কাবাডি, খো-খো, ভলিবল, বক্সিং, ভারোত্তলন ইত্যাদি বিভাগ ছিল। ১৩ হাজার ৮০৪ জন অ্যাথলিট এই পরীক্ষায় অংশ নেন। ফুটবলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ১৩ হাজার ৪৮৩ জন।
স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং যথাযথ মান নির্ণয়ের জন্য কির্তির এই কর্মসূচি বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে। ক্রীড়াবিদদের দক্ষতা সম্পর্কে বুঝতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তারও সাহায্য নেওয়া হয়।

কির্তি প্রকল্প আধুনিক আইসিটি উপকরণ এবং বিশ্বের সর্বোত্তম পন্থার উপর নির্ভর করে এক বিশেষ প্রতিভা অনুসন্ধান ও বিকশিত করার প্রকল্প। এই প্রকল্প প্রতিভা নির্ণয়ের জন্য অধিকতর সহজ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে খেলাধূলার মানোন্নয়নে এবং এতে অংশগ্রহণ বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করবে।