ওয়েব ডেস্ক; ১৩ জানুয়ারি : পশ্চিমবঙ্গে আগামীকাল মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে গঙ্গাসাগর মেলার জন্য সবরকম ব্যবস্থা সম্পন্ন। কপিলমুনির মন্দিরে পুজো দিতে লক্ষ লক্ষ ভক্ত ইতিমধ্যেই পৌঁছেছেন সাগরদ্বীপে। কয়েক লক্ষ ভক্ত ইতিমধ্যেই ভাগীরথী এবং বঙ্গোপসাগরে সঙ্গমে পুণ্যস্নানের পর ঘরের পথে রওনা দিয়েছেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অভূতপূর্ব নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অশান্তির জেরে নেওয়া হয়েছে বিশেষ সতর্কতা। ভারত-বাংলাদেশ স্থল ও জল সীমান্তবরাবর অতিরিক্ত নজরদারি চালানো হচ্ছে। রাজ্য প্রশাসন, নৌবাহিনী, উপকূলরক্ষী বাহিনী, পুলিশ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থাকে কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ভক্তদের সুবিধায় জন্য অতিরিক্ত পরিবহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ড্রোন এবং হেলিকপ্টারের সাহায্যে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন। জানা গেছে, কয়েকজন ভক্তকে আকাশ পথে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রয়াগরাজে কুম্ভ মেলার মতো গঙ্গাসাগর মেলাকেও জাতীয় মেলা হিসেবে ঘোষণা করার পুনরায় দাবি জানিয়েছে কেন্দ্রের কাছে। রাজ্য সরকার সাগরদ্বীপের সঙ্গে মূল দ্বীপের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি করতে মুড়িগঙ্গা নদীর উপর ১৫০০ কোটি টাকায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্তও নিয়েছে। গঙ্গাসাগর মেলা উপলক্ষে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সাগর মেলায় সন্ধ্যায় সাগর আরতি করা হচ্ছে দেশের সাংস্কৃতিক পরম্পরার ছবিটি তুলে ধরতে। কপিলমুনি মন্দিরটি সুন্দরভাবে আলোকমালায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। বিভিন্ন ধর্মীয় সংস্থার ব্যান্ডপার্টি, গান এবং পোস্টারের সঙ্গে মিছিল গোটা পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধুসন্ন্যাসীরা গঙ্গাসাগরে জড়ো হয়েছেন।