১৫ অক্টোবর : দূরসংযোগ বিভাগ (ডিওটি), পশ্চিমবঙ্গ এল.এস.এ. পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ১৪-টি প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে নির্বাচিত ৭৫ জন ছাত্রছাত্রীকে “সঞ্চার মিত্র” প্রকল্প ২.০-র অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করে। এই অনুষ্ঠানটি বিশেষ মহাপরিচালক (দূরসংযোগ) প্রদীপ গুপ্তর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন কে. ডি. ভিসো, উপ-মহাপরিচালক (আর-২), টি. এন. দাস, উপ-মহাপরিচালক (দূরসংযোগ), পশ্চিমবঙ্গ এল.এস.এ. এবং বিভাগের অন্যান্য বরিষ্ঠ আধিকারিকরা।

কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য এম. সিন্ধিয়া ২৬ মে, ২০২৫ এ “সঞ্চার মিত্র প্রকল্প ২.০”-র জাতীয় পর্যায়ে উদ্বোধন করেন। এই প্রকল্প সফলভাবে প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নাগরিক ও সরকারের মধ্যে ডিজিটাল সংযোগের সেতুবন্ধন গড়ে তোলার কাজে যুক্ত করা হয়েছিল। নিযুক্ত সঞ্চার মিত্ররা ডিজিটাল বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করবেন এবং বিদ্যালয়, কলেজ ও বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে সচেতনতা কর্মসূচির পরিচালনা করবেন। এর মধ্যে সঞ্চার সাথী পোর্টাল ও মোবাইল অ্যাপের প্রচার, মোবাইল নিরাপত্তা, প্রতারণা প্রতিরোধ এবং নিরাপদ ডিজিটাল অভ্যাসের প্রসার উল্লেখযোগ্য।

এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ভারতের যুবশক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিরাপদ অথচ সচেতন ডিজিটাল পরিবেশ গঠন করা এবং দূরসংযোগ পরিকাঠামোকে আরও সক্ষম করা। “সঞ্চার মিত্র প্রকল্প” সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ। অংশগ্রহণকারীরা মানপত্র পাবেন। কৃতি ছাত্ররা শীর্ষস্থানীয় দূরসংযোপ সংস্থায় নিযুক্ত হওয়া, ডিওটি-র গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণ, এবং আন্তর্জাতিক নীতি নির্ধারণ পরিসরে অবদান রাখার মত আকর্ষণীয় সুযোগ পাবেন।