ওয়েব ডেস্ক ; ১২ ফেব্রুয়ারি : পিএম গতি শক্তির অন্তর্গত নেটওয়ার্ক প্ল্যানিং গ্রুপ (এনপিজি)-র ৮৭তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকে একটি মেট্রো রেলের প্রকল্প, একটি আরআরটিএস, দুটি সড়ক প্রকল্প এবং একটি বিমানবন্দর নির্মাণের ক্ষেত্রে কতটা অগ্রগতি হয়েছে তার পর্যালোচনা করা হয়। শিল্পোৎসাহ এবং অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য দপ্তরের যুগ্ম সচিব ই শ্রীনিবাস বৈঠকের পৌরোহিত্য করেন। যে প্রকল্পগুলির পর্যালোচনা করা হয়েছে সেগুলি হল :
দিল্লি-পানিপথ-কার্নাল নমো ভারত প্রকল্প (আরআরটিএস করিডর)
আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক দিল্লি-পানিপথ-কার্নাল নমো ভারত প্রকল্প বাস্তবায়নের যে প্রস্তাব করে, ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়ন ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন তা বাস্তবায়িত করছে। দিল্লির সারাই কালে খান এবং হরিয়ানার কার্নালের মধ্যে ১৩৬.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ পথে ঘন্টায় ৯০ কিলোমিটার গতিবেগে দ্রুতগামী ট্রেন চলাচল করবে। ফলে, দিল্লি থেকে হরিয়ানার কার্নালে ৩.৫-৪ ঘন্টার পরিবর্তে মাত্র ৯০ মিনিটেই পৌঁছনো যাবে।
পুণে মেট্রো লাইন ৪ : খারাডি-খাড়াকওয়াসলা শাখায় নাল স্টপ-ওয়ারজে-মানিক বাগ-এর মধ্যে ব্রাঞ্চ লাইন
আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক পুণে মেট্রোর চতুর্থ লাইনে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব মহারাষ্ট্র মেট্রো রেলওয়ে কর্পোরেশনকে দিয়েছে। এর ফলে, ৩১.৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে।
মহাবুবনগর অর্থনৈতিক করিডর
সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক ১৬৭ নম্বর জাতীয় সড়কে গুড়েবেল্লুর-মারিকাল-হাসনাপুর/পতুলামাডুগু শাখায় চারলেনের সড়ক নির্মাণের কাজ করছে জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে হায়দরাবাদ ও রায়চুরের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে।
মুঙ্গিয়াকামি-চম্পকনগর (৮ নম্বর জাতীয় সড়কের করিডর)
ত্রিপুরার ৮ নম্বর জাতীয় সড়কে ২৫.৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ মুঙ্গিয়াকামি ও চম্পকনগরের মধ্যে সড়কের মানোন্নয়নের কাজ করছে জাতীয় মহাসড়ক পরিকাঠামো ও উন্নয়ন নিগম লিমিটেড। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পশ্চিম ত্রিপুরা ও খোয়াই জেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি পাবে।
অযোধ্যাধামে মহাঋষি বাল্মিকী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দ্বিতীয় পর্যায়
অযোধ্যায় ক্রমবর্ধমান বিমানযাত্রীদের চাহিদা পূরণের জন্য মহাঋষি বাল্মিকী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দ্বিতীয় পর্যায়ের সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে এই বিমানবন্দরে ব্যস্ত সময়ে ৬৭৪ জন যাত্রী যাতায়াত করতে পারেন। এছাড়াও এখানে প্রতি বছর ১০ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করার সংস্থান থাকছে। যাত্রীদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে নতুন একটি সুসংহত টার্মিনাল বিল্ডিং গড়ে তোলা হবে। এর ফলে, ব্যস্ত সময়ে ৪ হাজার জন যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবেন। বছরে ৬০ লক্ষ যাত্রী যাতে বিমানবন্দরটি ব্যবহার করতে পারেন, তার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা করা হয়েছে।
