ওয়েব ডেস্ক; ৬ এপ্রিল : ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) ১৫ই মার্চ, আসাম, কেরালা, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভাগুলোর সাধারণ নির্বাচন এবং ৬টি রাজ্যের উপ-নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে। কমিশন সংশ্লিষ্ট রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর সরকারকে আদর্শ আচরণবিধি (এমসিসি) কঠোরভাবে মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে।
স্মরণ করা যেতে পারে যে, কমিশন নির্বাচনমুখী ৫টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং তাদের সীমান্তবর্তী ১২টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য সচিব, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও), পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিজিপি) ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন এনফোর্সমেন্ট বা প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে একাধিক পর্যালোচনা বৈঠক করেছে এবং তাঁদের হিংসা, ভীতি ও প্রলোভনমুক্ত নির্বাচন সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে।
এগুলি সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলজুড়ে ৫,১৭৩টিরও বেশি ‘ফ্লাইং স্কোয়াড’ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে প্রাপ্ত অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি ১০০ মিনিটের মধ্যে করা সম্ভব হয়। এছাড়া, বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক তল্লাশি চৌকি (নাকা) স্থাপনের উদ্দেশ্যে ৫,২০০টিরও বেশি ‘স্ট্যাটিক সার্ভিল্যান্স টিম’ (এসএসটি) মোতায়েন করা হয়েছে।
২৬শে ফেব্রুয়ারি, ‘ইলেকট্রনিক সিজার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (ইএসএমএস) চালু হওয়ার পর থেকে, ৫ই এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে নগদ ১১ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। মদের পরিমাণ ২১,২৯,১০৩ লিটার, যার বাজারমূল্য ৫৫ কোটি টাকা। এছাড়া ৬৫ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য এবং ৩৯ কোটি টাকার মূল্যবান ধাতু উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যান্য বা বিনামূল্যে প্রাপ্ত জিনিসের মূল্য ১৫০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গে মোট উদ্ধারের পরিমাণ ৩১৯ কোটি টাকা।
