ওয়েব ডেস্ক; ৯ জুলাই: ৮ জুলাই, দক্ষিণ বঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীন ১৫৩ ব্যাটালিয়নের সীমা চৌকি ঘোজাডাঙ্গার সতর্ক জওয়ানরা চোরাচালানের প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে এবং ৮,৩১৪/- টাকা মূল্যের ১৬ টি কনজুগেটেড ইস্ট্রোজেন ভ্যাজাইনাল ক্রিম সহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে৷ তারা সেগুলো ভারত থেকে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।

প্রকৃতপক্ষে, যাত্রীদের রুটিন চেকিংয়ের সময়, বিএসএফ কর্মীরা ইটিন্দা বাজারের দিক থেকে মোটরসাইকেলে আসা এক পুরুষ এবং এক মহিলাকে থামায়। তল্লাশির সময়, জওয়ানরা মোটরসাইকেলের জ্বালানী ট্যাঙ্কের কাছে তৈরি একটি গহ্বর থেকে ওই কনজুগেটেড ইস্ট্রোজেন ভ্যাজাইনাল ক্রিমগুলো উদ্ধার করে। তাদের কাছে ওষুধের কাগজপত্র চাওয়া হলে তারা এ বিষয়ে কোনো কাগজপত্র দিতে পারেনি। অবশেষে, লোকটি বলে যে তারা স্বামী-স্ত্রী এবং ওই সামগ্রী তারা বাংলাদেশে চোরাচালানের জন্য নিয়ে এসেছিল। জওয়ানরা সঙ্গে সঙ্গে তাদের গ্রেফতার করে এবং মালামাল বাজেয়াপ্ত করে। ধৃতদের পরিচয় – মহম্মদ ইয়াসিন আলি মোল্লা এবং সাকিলা বিবি, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাসিন্দা।

জিজ্ঞাসাবাদে মোঃ ইয়াসিন আলী মোল্লা জানায়, গত ১০ বছর ধরে সে তার স্ত্রীসহ শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করছে। সে প্রসাধনী, মাদক ও বিবিধ জিনিসপত্রের ক্ষুদ্র চোরাচালানের সাথে জড়িত। সে আরও জানায়, ৮ জুলাই ভোট দেওয়ার পর সে যখন ফলতি-বনপুর, বেলিয়াঘাট থেকে ঘোজাডাঙ্গা যাচ্ছিল, পথিমধ্যে তাঁর এক আত্মীয় আইয়ুব আলী সরদার, জেলা সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ (বর্তমানে ভারতে বৈধ ভিসা নিয়ে বাসকারী) তাঁকে ওই সামগ্রী দেয় এবং বলে যে ওই সামগ্রী সীমান্ত পার হওয়ার পর আবার আইয়ুব আলী সরদারের হাতেই হস্তান্তর করতে। এই কাজের জন্য সে ৫০০ টাকা পেত।

আটককৃত ব্যক্তি ও জব্দকৃত মালামাল ঘোজাডাঙ্গা কাস্টমসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিএসএফের সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের জনসংযোগ কর্মকর্তা, বলেছেন যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ করতে বিএসএফ কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। এ কারণে এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতরা নানা সমস্যায় পড়ছে। আধিকারিক আরও বলেন, বিএসএফ জওয়ান যেকোনো অবস্থায় তাদের এলাকায় চোরাচালান হতে দেবেন না।