ওয়েব ডেস্ক; ১৫ জুলাই: গত ১২ জুলাই দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের অধীন ১৪৫ ব্যাটালিয়নের আইসিপি পেট্রাপোলের সতর্ক জওয়ানরা, সোনা পাচারের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে, বাংলাদেশ থেকে ভারতে সোনা পাচার করার সময় এক যাত্রীকে হাতেনাতে ধরেছে। জব্দ করা সোনার ব্রেসলেটের ওজন ১২৪.৮২০ গ্রাম এবং যার আনুমানিক মূল্য ৭,৩৫,৩১৫/- টাকা।

আসলে, আইসিপি পেট্রাপোলের জওয়ানরা প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে এক যাত্রীকে দেখে যে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসছিল। রুটিন চেকিং করার সময় জওয়ানরা ওই যাত্রীকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপর সন্দেহের ভিত্তিতে জওয়ানরা ওই যাত্রীকে তল্লাশি করে। তল্লাশির সময় জওয়ানরা (HHMD) হ্যান্ড হেল্ড মেটাল ডিটেক্টর থেকে বিপ শব্দ শুনতে পায় । জওয়ানরা যখন যাত্রীর জামার হাতা উপরে তোলে, তখন তার নীচে একটি রূপালী রঙের ব্রেসলেট দেখতে পায়। জওয়ানরা যাত্রীকে তার হাত থেকে ব্রেসলেট খুলতে বললে ব্রেসলেটটি ভেঙে দুটি ভাগ হয়ে যায়। ভালো করে পরীক্ষা করে দেখা যায়, ব্রেসলেটটি আসলে রূপার নয়, সোনার। এটি রূপালী রঙের একটি পাতলা স্তর দিয়ে আবৃত ছিল। জওয়ানরা ওই যাত্রীকে সোনার ব্রেসলেটের নথি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে সে কোনও সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি। এর পরে জওয়ানরা যাত্রীকে ধরে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সীমা চৌকিতে নিয়ে আসে। আটক যাত্রীর পরিচয় তুষার শামরাও গিড্ডে, (২৭বছর), জেলা সাংলি, মহারাষ্ট্র।

জিজ্ঞাসাবাদে যাত্রী জানায় যে সে তার ভাইয়ের সাথে বাংলাদেশের ঢাকার তাতী বাজারের একটি হোটেলে কাজ করে। সে আরও জানায়, গত ১০ জুলাই তাতি বাজারের স্থানীয় একটি জুয়েলারি দোকান থেকে ওই সোনার ব্রেসলেটটি কিনে তাতে রূপার প্রলেপ দিয়েছিল। সোনার ব্রেসলেট যাতে কেউ চিনতে না পারে সেজন্য সে তার উপর রুপোর প্রলেপ লাগিয়েছিল। কিন্তু সে দোকান থেকে কোনো কাগজপত্র নেননি। এরপর সোনার কোনো আইনি নথি দেখাতে না পারায় বিএসএফ জওয়ানরা তাকে আইসিপি পেট্রাপোলে ধরে ফেলে।

আটক যাত্রী ও জব্দকৃত সোনা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পেট্রাপোল কাস্টম অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে।