ওয়েব ডেস্ক ; ৮ ফেব্রুয়ারি: নতুন দিল্লির সুষমা স্বরাজ ভবনে ৬ ফেব্রুয়ারি, ‘বিকশিত ভারত@2047 – এর লক্ষ্যে : অর্থনীতির শক্তিশালীকরণ, জাতীয় নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ও আইন’ শীর্ষক কনক্লেভের আয়োজন করেছিল নীতি আয়োগ। এতে নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান, নীতি আয়োগের সদস্যবৃন্দ, নীতি আয়োগের সিইও, ভারত সরকারের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা, প্রতিরক্ষা সচিব প্রমুখ অংশ নেন। এই কনক্লেভে আগামী দু’দশকে ভারতের উন্নয়ন যাত্রা নিয়ে আলোচনা হয়।

২০৪৭ সালের মধ্যে আর্থিক অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা নিয়ে মূলত আলোচনা হয়। এতে অংশ নেন নীতি-নির্ধারক, শিক্ষাবিদ ও শিল্প মহলের প্রতিনিধিরা। এই পর্বে নিয়ন্ত্রণমূলক সংস্কারের গুরুত্ব, উদ্ভাবন, পরিকাঠামোর বিস্তার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারতের কৌশলগত ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। গবেষণা ও উন্নয়ন ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ-শৃঙ্খলের সুসংহতকরণের কথা তুলে ধরেন বিভিন্ন বক্তা। ভারতের জনসংখ্যাগত সুবিধার কথা উল্লেখ করে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পরিকাঠামো ক্ষেত্রে লগ্নির বিশেষ ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়। ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাহসী সংস্কার, ধারাবাহিক বিদ্যুৎ নীতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারতের নেতৃত্বের ভূমিকা পালন নিয়ে সহমত প্রকাশ করেন বক্তারা।

অন্য একটি পর্বে উন্নয়নের জন্য কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রে ভারতের নেতৃত্বদান এবং বিরল ধাতু সম্পদে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া, বাণিজ্যের উদারীকরণ, শুল্ক হ্রাস এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় করেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও, আলোচনায় উঠে আসে ডিজিটাল গণ পরিকাঠামো, আইনি সংস্কার সহ অন্যান্য বিষয়।