ওয়েব ডেস্ক; ১৪ ফেব্রুয়ারি : খাদ্য নিরাপত্তা ও মান কর্তৃপক্ষ (FSSAI) খাদ্যদ্রব্যের জন্য বিজ্ঞান-ভিত্তিক মান নির্ধারণ করে। মানুষের ব্যবহারপোযোগী নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য যাতে সহজে পাওয়া যায় সেজন্য তাদের উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিতরণ, বিক্রয় এবং আমদানি নিয়ন্ত্রণ করে এই সংস্থা।

খাদ্য নিরাপত্তা ও মান আইন, ২০০৬-এর বাস্তবায়ন ও প্রয়োগের দায়িত্ব যৌথভাবে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলির জন্য ন্যস্ত। FSSAI বিজ্ঞান-ভিত্তিক মান নির্ধারণ এবং সামগ্রিক সমন্বয় নিশ্চিত করার দায়িত্বে রয়েছে, তৃণমূল স্তরে এগুলির বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে রাজ্য খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ।

খাদ্যদ্রব্যের যথাযথ মান রক্ষা করা হচ্ছে কি না, তা পরীক্ষা করতে FSSAI তার চারটি আঞ্চলিক কার্যালয় এবং রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সারা বছর ধরে পরিদর্শন ও নজরদারি অভিযান চালায়। কোনোরকম বিচ্যুতি দেখা গেলে খাদ্য নিরাপত্তা ও মান (FSS) আইন, ২০০৬ অনুসারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

FSSAI বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক বিষয়, নীতিগত সংস্কার ও রূপায়ণ পদ্ধতি নিয়ে নিয়মিত কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকের আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন রাজ্যে খাদ্যের মান ও নিরাপত্তা খতিয়ে দেখার ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হয়।

দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্যসামগ্রিতে ভেজাল আছে কিনা তা খতিয়ে দেখে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা নীচে বলা হল –

২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে মোট ৩৩,৪০৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১২,৭৮০টি ক্ষেত্রে নিয়মের বিচ্যুতি লক্ষ্য করা যায়। ১২০৫৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

লোকসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রতাপরাও যাদব এই তথ্য জানিয়েছেন।