ওয়েব ডেস্ক; ১৫ সেপ্টেম্বর: দেশের জন্য যেসব বীর আত্মবিসর্জন দিয়েছেন, তাঁদের শ্রদ্ধা জানাতে চলতি বছরের ৯ অগাস্ট দেশজুড়ে ‘মেরি মাটি মেরা দেশ’ প্রচারাভিযানের সূচনা হয়েছে। এই প্রচারাভিযান হল ১২ মার্চ শুরু হওয়া ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর সমাপ্তি পর্বের শেষ অনুষ্ঠান। এতে সাধারণ মানুষ ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেছেন, দেশজুড়ে ২ লক্ষেরও বেশি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এই প্রচারাভিযানের আওতায় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও নিরাপত্তা বাহিনীর উদ্দেশে নিবেদিত ২ লক্ষ ৩৩ হাজারেরও বেশি শিলাফলকম স্থাপন করা হয়েছে। আমাদের সাহসী বীরদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে পঞ্চপ্রাণ শপথ, বসুধা বন্ধন, বীরোঁ কা বন্ধন-এর মতো নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণের সুবাদে ‘মেরি মাটি মেরা দেশ’ প্রচারাভিযানের প্রথম পর্যায়ে অভূতপূর্ব সাফল্য পাওয়া গেছে। ৩৬টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে স্বাধীনতা সংগ্রামী ও নিরাপত্তা বাহিনীর উদ্দেশে এপর্যন্ত নিবেদিত হয়েছে ২ লক্ষ ৩৩ হাজারেরও বেশি শিলাফলকম। ওয়েবসাইটে প্রায় ৪ কোটি পঞ্চপ্রাণ শপথ নিজস্বী আপলোড করা হয়েছে। দেশজুড়ে আয়োজন করা হয়েছে ২ লক্ষেরও বেশি বীর সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানের। বসুধা বন্ধন কর্মসূচির আওতায় ২ কোটি ৩৬ লক্ষেরও বেশি দেশীয় চারা রোপণ করা হয়েছে, গড়ে তোলা হয়েছে ২ লক্ষ ৬৩ হাজার অমৃত বাতিকা।
দেশব্যাপী অমৃত কলস যাত্রার পরিকল্পনার মাধ্যমে এই প্রচারাভিযান এবার দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করতে চলেছে। এর লক্ষ্য হল দেশের প্রতিটি ঘরকে ছুঁয়ে যাওয়া। দেশের ৬ লক্ষেরও বেশি গ্রাম ও শহুরে এলাকা থেকে মাটি ও ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে। গ্রামীণ এলাকায় বিভিন্ন গ্রামের মাটি সংগ্রহ করে ব্লক স্তরে একটি কলসে তা রাখা হবে। রাজ্যগুলির রাজধানী থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জ্ঞাপনের পর সেই কলসগুলি নিয়ে যাওয়া হবে দিল্লিতে। শহুরে এলাকায় বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে মাটি সংগ্রহ করে বড় পৌরসভাগুলিতে এনে তা মেশানো হবে। এর পর রাজ্যের রাজধানী হয়ে তা পাড়ি দেবে দিল্লিতে। অক্টোবরের শেষ নাগাদ চূড়ান্ত অনুষ্ঠানে সাড়ে ৮ হাজারেরও বেশি কলস দিল্লিতে পৌঁছবে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে সংগ্রহ করা এই মাটি, ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর গৌরবদীপ্ত উত্তরাধিকার বহনকারী অমৃত বাতিকা ও অমৃত স্মৃতিসৌধে স্থাপন করা হবে।
সূত্র : পি আই বি
