ওয়েব ডেস্ক; ৫ আগস্ট : পাকিস্তান থেকে পণ্য আমদানির ওপর ভারতের নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে এক বড় অভিযানে, রাজস্ব গোয়েন্দা নির্দেশনালয় – ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স, তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে পাকিস্তানে উৎপাদিত পণ্য গোপনে আমদানি এবং সেই বিষয়ে ভুল তথ্য দেওয়ার হদিশ পেয়েছে। এই অভিযানে ৩ কোটি টাকা মূল্যের ৩৬৪ মেট্রিক টন পাকিস্তানে উৎপাদিত শুকনো খেজুর বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এক অভিযানে, ডিআরআই আধিকারিকরা কান্দলা বন্দরে প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের ৩৬৪ মেট্রিক টন শুকনো খেজুর বহনকারী ১৩টি কন্টেইনার আটক করেন। তদন্তে দেখা যায়, পণ্যগুলির উৎপত্তিস্থল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি হিসেবে ঘোষণা করা হলেও প্রকৃতপক্ষে সেগুলি পাকিস্তান থেকে এসেছিল।

তদন্তে জানা গেছে, পণ্যগুলি প্রথমে পাকিস্তান থেকে দুবাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তারপর ভারতে পাঠানোর আগে অন্য কন্টেইনারে স্থানান্তর করা হয়। আমদানিকারকরা পাকিস্তানে উৎপাদিত পণ্য আমদানির নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেন এবং উৎপত্তিস্থল সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দেন। কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬২-এর সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে পুরো চালানটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

এর আগে গত সপ্তাহে, ডিআরআই আধিকারিকরা তুতিকোরিন বন্দরে ভুল বিবরণ ও ভুল উৎপত্তিস্থল দেখিয়ে প্রায় ১.৪ কোটি টাকা মূল্যের ১৪ মেট্রিক টন পাকিস্তানে উৎপাদিত ‘গুগগুল রেজিন’ আমদানির একটি প্রচেষ্টা উদঘাটন করেছিলেন। চালানটিকে সোমালিয়া থেকে আসা প্রাকৃতিক রেজিন হিসেবে মিথ্যা ঘোষণা করা হয়েছিল এবং দুবাই হয়ে আনা হয়েছিল। এই ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

ডিজিএফটি-এর বিজ্ঞপ্তি নং ০৬/২০২৫-২৬ (তারিখ ০২.০৫.২০২৫) দ্বারা সংশোধিত ‘বৈদেশিক বাণিজ্য নীতি, ২০২৩’ অনুযায়ী, পাকিস্তান থেকে উৎপাদিত বা রপ্তানিকৃত সমস্ত পণ্যের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ আমদানি অথবা ট্রানজিট ০২.০৫.২০২৫ তারিখ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *