ওয়েব ডেস্ক ; ১০ অক্টোবর : বিশেষজ্ঞ মহাকাশ-আলোকচিত্রী এবং অপেশাদার মহাকাশ পর্যালোচনাকারীরা ২৯ থেকে ৪ঠা অক্টোবর লাদাখে হ্যানলে কৃষ্ণ অন্তরীক্ষ সংরক্ষিত অঞ্চলে দ্বিতীয় নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ সমাবেশে যোগ দিলেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতরের আওতাধীন স্বশাসিত সংস্থা ইন্ডিয়ান ইন্সিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, কেন্দ্রশাসিত লাদাখের বন্য প্রাণ সংরক্ষণ দফতর এবং ভাবা আণবিক গবেষণাকেন্দ্র (বিএআরসি) আয়োজিত এই অনন্য সমারোহে এই অনন্য আয়োজনের উদ্যোক্তা। যোগ দেন দেশের বিভিন্ন স্থানের ৪৫ জনেরও বেশি মহাকাশ পর্যবেক্ষক। ছিলেন আরও অনেকেই। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরাও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।
ভারতে যেসব অঞ্চলে রাতের আকাশ সবচেয়ে কৃষ্ণবর্ণ হয়ে ওঠে তার মধ্যে অন্যতম হ্যানলে এবং তার আশপাশের এলাকা। সেজন্যই সেখানকার মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আশপাশের এলাকাকে লাদাখ সরকার ২০২২-এর ডিসেম্বরে বিশেষ এক অঞ্চলের মর্যাদা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তখন থেকেই দেশের মহাকাশ পর্যবেক্ষকদের কাছে এই জায়গাটি আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু।
ওই অঞ্চলের মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে অত্যন্ত শক্তিশালী নানান ধরনের দূরবীক্ষণ যন্ত্র রয়েছে। হ্যানলে কৃষ্ণ অন্তরীক্ষ সরক্ষিত অঞ্চল প্রকল্প বা এইচডিএসআর-এর সুবাদে সাধারণ মানুষের কাছে এই কেন্দ্র যেভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠছে তা অত্যন্ত আনন্দের বলে মনে করেন ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের প্রধান অন্নপূর্ণী সুব্রক্ষণিয়ম। এর আর্থ সামাজিক গুরুত্ব অনেকখানি। বস্তুত আলোক দূষণের হাত থেকে অঞ্চলটিকে রক্ষা করায় স্থানীয় গ্রামবাসীদের বড় ভূমিকা রয়েছে।
এই অঞ্চল থেকে ঘনকৃষ্ণ ও স্বচ্ছ রাতের আকাশে ৭টি বিশেষ মহাজাগতিক বস্তুকে
স্পষ্ট দেখা যায়। তাদের তালিকা তৈরি করেছেন দিল্লির মহাকাশ আলোকচিত্রী অজয় ও নিলম তালোয়ার। ‘সেভেন ওয়ান্ডারস অফ দ্য হ্যানলে ডার্ক স্কাই রিজার্ভ নাইট স্কাই’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হয়েছে।
