শুভাবরি ওয়েব ডেস্ক, ৪ অগাস্ট, কলকাতা:
বারবার পত্র পত্রিকায় উঠে আসছে ‘লক্ষ লক্ষ মামলা কোর্টের ঝুলে রয়েছে’। মামলাকারী এবং আইনজীবীরা দিনের পর দিন কোর্টে যাতায়াত করে চলেছে। প্রশ্ন হচ্ছে এই কোর্ট গুলোর বাস্তব পরিস্থিতি কি, কেমন আছে কোর্ট চত্বর? তার খোঁজ বোধহয় কখনো প্রশাসনও রাখেন না।

এমনই এক কোর্ট চত্বর হচ্ছে কলকাতার “জাজেস কোর্ট”। কলকাতার আলিপুরে অবস্থিত এই কোর্টে গ্রাম বাংলার বহু মানুষ নিত্যদিন হাজির হন তাদের শুনানিতে। থাকতে হয় সারাদিন। যাদের দিন আনা মজুরিতে চলে, তাদের সবাইকেই কিন্তু এখানে পানীয় জল কিনে খেতে হয়। সার্বজনীন একটি পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থাও এখানে নেই। কিছুদিন আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চেষ্টায় এখানে একটি “ওয়াটার ভেন্ডিং মেশিন” বসানো হলেও বর্তমানে সেটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ফলে এই দরিদ্র মানুষগুলোকে যেমন ১০/২০ টাকা দিয়ে জল কিনে খেতে হচ্ছে। তেমনি সারাদিনে যতক্ষণ তারা এখানে উপস্থিত থাকেন ২ টাকা খরচ করে বার বার বাথরুম ব্যবহার করতে হচ্ছে।

প্রশ্ন হচ্ছে এই কোর্স চত্বরকে সরকারের পক্ষ থেকে বা পিডব্লিউডির পক্ষ থেকে সর্বসাধারণের জন্য আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা যায় না ? এ প্রশ্ন কিন্তু এই কোর্টে দীর্ঘ বছর ধরে অকালতি করেন এমন অনেক মহিলা আইনজীবীদেরও ।

আনুমানিক ৫০০০ আইনজীবী এখানে রোজ প্র্যাকটিস করেন। তারা বার অ্যাসোসিয়েশনকে জনপ্রতি ৫০ টাকা করে প্রতি মাসে চাঁদা দিয়ে থাকেন। কিন্তু তার সব টাকা সদুপযোগ হচ্ছে না বলেই অনেক আইনজীবী মনে করেন। সাধারণ মানুষের সাথে সাথে অনেক প্রবীণ মহিলা এবং পুরুষ আইনজীবী মনে করেন, জাজিস কোর্ট চত্বর অবিলম্বে সংস্কারের প্রয়োজন। যেমন প্রয়োজন ভেতরের ছোট রাস্তাগুলো পাকা করে দেওয়া, বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা ময়লা গুলো পরিষ্কার করে জায়গাটি সর্বসাধারণের জন্য উপযুক্ত করে তোলা।

কিন্তু সরকার কি কোন ব্যবস্থা নেবে না এই প্রাচীন জাজেস’ কোর্ট চত্বরের সংস্কারের জন্য? বার অ্যাসোসিয়েশন কি এই বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেবে না?

আমাদের সাথে সাথে এই প্রশ্ন পাঠকদের কাছেও দেওয়া হলো। উত্তর পেলে বা সরকার বাবারবার অ্যাসোসিয়েশন সদর্থক কোন ভূমিকা নেয় অবশ্যই সেটি আপনাদের সাথে আমরা শেয়ার করে নেবো।