ওয়েব ডেস্ক; ১৮ আগস্ট: ভারতের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী সাক্ষরতা ক্লাব (ইএলসি ২.০)-এর সূচনা করেছে। নির্বাচনী সাক্ষরতা ক্লাব এবং ইসিআইনেট নিয়ে পাটনার জ্ঞানভবনে এক সম্মেলনে আজ এই ক্লাবের সূচনা করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।
জ্ঞানেশ কুমার বলেন, নির্বাচনী সাক্ষরতার ভিতকে আরও মজবুত করতে এবং সচেতন গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের প্রসারে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসের ভিতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান মোতাবেক নির্বাচন কমিশন যেসমস্ত আইন এবং নির্দেশাবলি জারি করে, তা রাজনৈতিক দলগুলির যুগ্ম অডিটের ভিত্তিতে স্বচ্ছতার সঙ্গে হয়ে থাকে। তিনি বলেন, ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থা সম্পর্কে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, নির্বাচনী নিবন্ধীকরণ, ভোট গ্রহন এবং গণনা প্রক্রিয়া, সেইসঙ্গে ভারতের নির্বাচন কমিশনের কার্যকলাপ সম্পর্কে যুব নির্বাচক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতন করার প্রয়োজন রয়েছে।
যুব নাগরিকদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার ওপর আলোকপাত করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, তাঁদের বিশ্বাস এবং সচেতন অংশগ্রহন গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য জরুরি।
নির্বাচনী সাক্ষরতা ক্লাবের নতুন লোগো এই অনুষ্ঠানে প্রকাশ করা হয়।
এরআগে, তিনি নালন্দার রাজগীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে বুথ স্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিহারে ১৬ এবং ১৭ অগাস্ট তাঁর দু’দিনের সফরে তিনি মধুবনী, বৈশালী, নালন্দা সফর করেন।
ইএলসি ২.০-র মধ্যে দিয়ে নির্বাচনী সাক্ষরতা ক্লাবকে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে ডিজিটালবান্ধব প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। সারা বছর ধরে যুব নাগরিক এবং নির্বাচনী সচেতনতা প্রসারে নানা উদ্যোগ এর মধ্যে দিয়ে প্রতিফলিত হবে।
দেশের প্রায় ১৫ লক্ষ বিদ্যালয়, ২৫ কোটি ছাত্র-ছাত্রী এবং ১ কোটিরও বেশি শিক্ষক-শিক্ষিকাকে নিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার এক শিক্ষা পরিমন্ডল গড়ে তুলতে এই উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এছাড়াও, উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে প্রায় ১৫শো বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে ৪ কোটি ৩৩ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রীদেরওব এই উদ্যোগে যুক্ত করা সম্ভব হবে।
ইসিআইনেট অ্যাপ ও ভারতের নির্বাচন কমিশনের মূল উদ্যোগগুলির সঙ্গে ইএলসি গুলি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে তথ্য ভাগ করে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করবে।
