ওয়েব ডেস্ক; ৩১ অক্টোবর : শিক্ষা মন্ত্রকের অধীন বিদ্যালয় এবং সাক্ষরতা দপ্তর (ডিওএসইঅ্যান্ডএল)কৃত্রিম মেধা এবং কম্পিউটার ভিত্তিক চিন্তাকে ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে গড়ে তোলার দায়বদ্ধতাকে ব্যক্ত করেছে। এই দপ্তর সিবিএসই, এনসিইআরটি এবং কেভিএস-এর মতো রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের শিক্ষা সংস্থাগুলিকে পর্ষদের আওতায় অর্থপূর্ণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক পাঠক্রমকে বিদ্যালয় শিক্ষার জাতীয় পাঠক্রম পরিকাঠামো (এনসিএফএসই) ২০২৩-এ পরামর্শমূলক প্রক্রিয়ার অঙ্গ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।

কৃত্রিম মেধা এবং কম্পিউটার ভিত্তিক চিন্তা, শিক্ষার ধারনা, চিন্তাভাবনা এবং শিক্ষণ পদ্ধতিকে জনস্বার্থে কৃত্রিম মেধার ধারনার ভিত্তিতে প্রসারিত করতে চায়। কৃত্রিম মেধার নৈতিক ব্যবহার এবং জটিল চ্যালেঞ্জের সমাধানের লক্ষ্যে ভিত্তিমূলক স্তর হিসেবে গ্রেড ৩ থেকে চালু করার কথা জানিয়েছে।

সিবিএসই, এনসিইআরটি, কেভিএস, এনভিএস এবং বাইরের বিশেষজ্ঞদেরকে নিয়ে গতকাল অংশীদারদের এক পরামর্শমূলক আলোচনার আয়োজন করা হয়। দ্য সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) আইআইটি মাদ্রাজের অধ্যাপক কার্তিক রমন-এর নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়েছে। বিদ্যালয়স্তরে কৃত্রিম মেধা এবং কম্পিউটার ভিত্তিক চিন্তা গড়ে তোলার দিকে তাকিয়েই এই পদক্ষেপ।

এই শিবিরে ডিওএসিএল-এর সচিব সঞ্জয় কুমার বলেন, কৃত্রিম মেধা ক্ষেত্রে দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যারাউন্ড আস (টিডব্লুএইউ)-এর সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে বুনিয়াদি সর্বজনীন প্রশিক্ষণ গড়ে তোলার কাজ করা হবে। তিনি জানান, এই পাঠক্রম হবে পর্ষদ ভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং এনসিএফএসই ২০২৩-এর সঙ্গে সংযোগ রক্ষার ভিত্তিতে। প্রতিটি শিশুর সক্ষমতা গড়ে তোলাই অগ্রাধিকার বলে তিনি জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, এই পাঠক্রমের রূপায়ণের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, NISHTHA-এ শিক্ষক প্রশিক্ষণ মডিউল সহ প্রশিক্ষণের সহায়ক সরঞ্জাম ভিডিও শিক্ষা অবলম্বন হিসেবে গ্রহণ করা হবে।

আইঅ্যান্ডটি-র যুগ্ম সচিব প্রাচী পান্ডে এই পাঠক্রম গড়ে তোলা এবং তা চালু করার ক্ষেত্রে সময়সীমা মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।