ওয়েব ডেস্ক; কলকাতা, ১৬ এপ্রিল: এপ্রিলের প্রায় মাঝামাঝি বাংলার নতুন বছরও এসে গেছে। গাছের গুটি আমেও ধীরে ধীরে রং ধরার সময় হয়ে এলো। এরমধ্যে সামনে হাতছানি দিচ্ছে গরমের ছুটি। সদ্যসমাপ্ত মাধ্যমিক , উচ্চমাধ্যমিক ও জয়েন্ট এন্ট্রান্সের গন্ডি কাটিয়ে বাবা – মায়ের সাথে একটু নতুন জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার সময় আসন্ন। পূর্ব রেল ইতিমধ্যেই রাজ্যবাসীর চাহিদার কথা মাথায় রেখে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের উদ্দেশ্যে স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে , যেমন, হাওড়া – হিসার স্পেশাল, হাওড়া – নিউ জলপাইগুড়ি স্পেশাল , হাওড়া – রক্সোল স্পেশাল, শিয়ালদহ – জাগি রোড স্পেশাল, শিয়ালদহ – লখনউ স্পেশাল, কলকাতা – জয়নগর স্পেশাল, মালদা টাউন – নিউ দিল্লী স্পেশাল, মালদা টাউন – আনন্দ বিহার স্পেশাল, ভাগলপুর – নিউ দিল্লী স্পেশাল , আসানসোল – জয়পুর স্পেশাল এবং আসানসোল – আনন্দ বিহার স্পেশাল ট্রেন। জনপ্রিয় রুটে চালানো এই ট্রেনগুলি ইতিমধ্যেই যাত্রীসাধারণের মনে যথেষ্ট সাড়া পেয়েছে। এরমধ্যে কিছু ট্রেনে ইতিমধ্যেই সিট বুকিং এর পরিসংখ্যান ১০০ শতাংশের বেশি। যেমন হাওড়া – হিসার স্পেশালে ১৫ ই এপ্রিলে সমস্ত শ্রেণীতে গড় ১৫২%, হাওড়া – রক্সোল স্পেশালে ২০ শে এপ্রিলে গড় অকুপেন্সি (occupancy) ১২৩%, কলকাতা – জয়নগর স্পেশালে ১৯ শে এপ্রিলে গড় অকুপেন্সি ১২৪%, মালদা টাউন – নিউ দিল্লী স্পেশালে ১৮, ২১ এবং ২৫ শে এপ্রিলে গড় অকুপেন্সি প্রায় ১০০ শতাংশ।
পূর্ব রেলের বাকি স্পেশাল ট্রেন গুলিতেও টিকিটের চাহিদা উর্দ্ধমুখী এবং খুব শীঘ্রই তা ১০০% ছাড়িয়ে যাবে। অতএব, যাত্রীরা যত শীঘ্র সম্ভব যদি আসন সংরক্ষণ করেন, তত বেশি ‘কন্ফার্মড টিকিট’ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ‘early bird’ সবসময়েই সুবিধা পায় , কারণ সেক্ষেত্রে প্রথমদিকে “ঠায় নেই, ঠায় নেই” ভাবটা থাকেনা। স্বাচ্ছন্দ এবং আরামদায়ক যাত্রার জন্য পূর্ব রেলওয়ে বদ্ধপরিকর। সমস্ত স্পেশাল ট্রেনগুলিতে পরিচ্ছন্নতা ও সময়ানুবর্তিতায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাতে যাত্রীরা তাদের পারিবারিক ভ্রমণ আনন্দের সাথে উপভোগ করতে পারেন।
এছাড়াও, অন্য রেলের ঘোষণা করা আরও বেশকিছু গ্রীষ্মকালীন স্পেশাল ট্রেন পূর্বরেল থেকে ছাড়ছে যেমন, হাওড়া – মাদার জং স্পেশাল, মালদা টাউন – উধনা স্পেশাল, ভাগলপুর – উধনা স্পেশাল , মালদা টাউন – বেঙ্গালুরু স্পেশাল, আসানসোল – মুম্বাই স্পেশাল। এর মধ্যে হাওড়া – মাদার জং স্পেশাল ট্রেনের অকুপেন্সি রেট ইতিমধ্যে ১০০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়াও মালদা থেকে উত্তর ভারতগামী ট্রেন গুলির চাহিদাও ক্রমবর্ধমান।
