ওয়েব ডেস্ক; ১৮ মে : কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের অধীন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার গ্রিড কর্পোরেশন লিমিটেড (পাওয়ারগ্রিড) কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ণ বিভাগে একটি এফটিআইআর স্পেকট্রোমিটারের ব্যবস্থা করেছে, যেটি কর্পোরেট সোশ্যাল রেস্পনসিবিলিটি (CSR) উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত।

প্রকল্পটির জন্য মোট ব্যয় হয়েছে ১৮.৮৮ লক্ষ টাকা। এটি রসায়নাগারের পরিকাঠামো আধুনিকীকরণে সাহায্য করবে। কিভাবে ইনফ্রারেড বিকিরণ রাসায়ণিক বন্ধনগুলির সঙ্গে ক্রিয়া করে সেটি চিহ্ণিত করে আণবিক কাঠামো বিশ্লেষণ করতে শিক্ষার্থীদের সাহায্য করে এই এফটিআইআর স্পেকট্রোমিটারটি।এটি যৌগিকবস্তু চিহ্ণিতকরণ, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার পর্যবেক্ষণ এবং উপকরণগুলির প্রভেদ চিহ্ণিত করে। এই হ্যান্ডস-অন সরঞ্জামটি রসায়ণের ধারণাগুলি বুঝতে সাহায্য করে, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং পরিবেশ বিজ্ঞানের মতো ক্ষেত্রগুলিতে উন্নতধরনের গবেষণায় সহায়তা করে এবং ব্যবহারিক জীবনে বিজ্ঞান এবং কলকারখানাকে পেশা হিসাবে গ্রহন করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করে।

এফটিআইআর স্পেকট্রোমিটার হস্তান্তর অনুষ্ঠানটি কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। পাওয়ারগ্রিড এবং প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্বাক্ষরিত মৌচুক্তির একটি সফল সমাপ্তি হিসাবে চিহ্নিত হল।

অনুষ্ঠানে অশোক কুমার নায়েক, সিজিএম (আই/সি), পূর্ব অঞ্চল -২, পাওয়ারগ্রিড- সহ সম্মানিত অন্যান্য মান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, প্রশান্ত কুমার, জেনারেল ম্যানেজার (এইচআর), পূর্ব অঞ্চল -২, পাওয়ারগ্রিড; ডা দেবজ্যোতি কোনার, রেজিস্ট্রার, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়; অধ্যাপক অর্ণব হালদার, এইচওডি (রসায়ণ), প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় উপস্থিত ছিলেন। পাওয়ারগ্রিড এবং প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার সহকারী নিয়ামক শ্রী খাজা মোইনুল হক ও অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, পাওয়ারগ্রিডের প্রতিনিধিরা উচ্চ শিক্ষাকে সমর্থন করার এবং সমগ্র দেশে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার জন্য সংস্থার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রকল্পটি সিএসআর উদ্যোগে জাতীয় বিকাশে অবদান রাখার ক্ষেত্রে পাওয়ারগ্রিডের অবদানকে বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে একত্রিত হয়েছে যা প্রতিষ্ঠানগুলিকে স্বীকৃতি দিঘেছে।

শিল্পদ্যোগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের এই সহযোগিতাটি ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা এবং গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা নেওয়াও চিহ্ণিত করে।