ওয়েব ডেস্ক; ১৯ মার্চ : সিনেমাটোগ্রাফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৩-এ পাইরেসি দমনে আইনী কাঠামো আরও কঠোর করা হয়েছে। সিনেমাটোগ্রাফ আইনের ৬ এএ এবং ৬এবি ধারায় অনুমতি ছাড়া কোনও চলচ্চিত্রের রেকর্ডিং ও প্রদর্শন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। ৭(১এ) ধারায় বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি এই বিধি লঙ্ঘন করলে তাঁর ৩ মাস থেকে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত এবং ৩ লক্ষ টাকা থেকে সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র নির্মাণ ব্যয়ের ৫ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে যেখানে নির্দিষ্ট নোডাল অফিসারদের মাধ্যমে এসংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়। ইন্টারনেটে পাইরেসি করে বা কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করে কোনো বিষয়বস্তু প্রদর্শিত হলে চলচ্চিত্রের কপিরাইটের অধিকারী বা তাঁর অনুমোদিত প্রতিনিধি এই অভিযোগ জমা দিতে পারেন। অভিযোগ পাওয়ার পরই সংশ্লিষ্ট লিঙ্ক নিষ্ক্রিয় করার নোটিশ পাঠানো হয়।
তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০০০-এর ৭৯(৩বি) ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই বিষয়বস্তু সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিতে পারে। আদালতের নির্দেশ বা সরকারের নোটিশ পাওয়ার পর ওই লিঙ্ক বন্ধ করা বাধ্যতামূলক।
সরকার তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০০০ এবং তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০২১-এর সংস্থান অনুসারে সোশ্যাল মিডিয়া সহ প্রত্যেক মধ্যস্থতাকারীর ওপর নির্দিষ্ট দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে। তারা যাতে তাদের প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত বা শেয়ার হওয়া তথ্যের ক্ষেত্রে আইন মেনে চলে, তা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।
পাইরেসি দমনে পদক্ষেপ
এই আইনী সংস্থান অনুসারে চলতি বছরের ১১ মার্চ টেলিগ্রাম অ্যাপে ৩১৪২টি চ্যানেল বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এগুলি কন্টেন্ট মালিক, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ও প্রযোজকদের অনুমতি ছাড়া কন্টেন্ট প্রকাশ করে কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করছিল। এছাড়া ৮০০টি ওয়েবসাইটও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
লোকসভায় প্রদ্যুৎ বরদলুই-এর প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংসদীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ এল মুরুগান এই তথ্য জানিয়েছেন।
