সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে জিএসটি বাবদ রাজস্ব সংগ্রহের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ১৭ হাজার ১০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সিজিএসটি বাবদ সংগ্রহের পরিমাণ ২০ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা, এসজিএসটি বাবদ সংগ্রহের পরিমাণ ২৬ হাজার ৭৬৭ কোটি টাকা, আইজিএসটি বাবদ সংগ্রহ ৬০ হাজার ৯১১ কোটি টাকা (পণ্য সামগ্রী আমদানি খাতে ২৯ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহ সহ) এবং শুল্ক বাবদ ৮ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা (পণ্য সামগ্রী আমদানি খাতে ৬২৩ কোটি টাকা সংগৃহীত হয়েছে)।
সরকার সিজিএসটি বাবদ ২৮ হাজার ৮১২ কোটি টাকা এবং এসজিএসটি বাবদ ২৪ হাজার ১৪০ কোটি টাকা মিটিয়ে দিয়েছে। আইজিএসটি খাতে সংগৃহীত অর্থ থেকে এই প্রাপ্য মেটানো হয়েছে। সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে প্রাপ্য মেটানোর পর কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মোট রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে সিজিএসটি থেকে ৪৯ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা এবং এসজিএসটি থেকে ৫০ হাজার ৯০৭ কোটি টাকা।
উল্লেখ করা যেতে পারে, গত বছরের একই মাসে জিএসটি বাবদ সংগ্রহের পরিমাণ এবার ২৩ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে, সেপ্টেম্বর মাসে পণ্য সামগ্রী আমদানি বাবদ রাজস্বের পরিমাণ ৩০ শতাংশ এবং অভ্যন্তরীণ লেনদেন (পরিষেবা আমদানি সহ) খাতে সংগ্রহের পরিমাণ ২০ শতাংশ বেড়েছে। পরিসংখ্যানগত দিক থেকে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধির পরিমাণ ২০১৯-এর সেপ্টেম্বরের তুলনায় ৪ শতাংশ বেশি।
চলতি অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিএসটি বাবদ গড় মাসিক সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ১৫ হাজার কোটি টাকা, যা প্রথম ত্রৈমাসিকে সংগ্রহের পরিমাণ ১ লক্ষ ১০ হাজার কোটি টাকার তুলনায় ৫ শতাংশ বেশি। এ থেকে এটা স্পষ্ট প্রতিফলিত হয় যে, দ্রুতগতিতে অর্থ ব্যবস্থার পুনরুদ্ধার হচ্ছে। রাজস্ব সংগ্রহের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির এই ইতিবাচক প্রবণতা চলতি অর্থবর্ষের দ্বিতীয়ার্ধেও অব্যাহত থাকবে এবং সংগ্রহের পরিমাণ আরও বেশি দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কেন্দ্র জিএসটি ক্ষতি পূরণ বাবদ রাজ্যগুলিকে ২২ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে পশ্চিমবঙ্গে রাজস্ব সংগ্রহের পরিমাণ গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ৩ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা থেকে ১১ শতাংশ বেড়ে ৩ হাজার ৭৭৮ কোটি টাকা হয়েছে।
