ভারতে আগের বছরে অতিমারি জনিত মন্দার পরেও ২০২০-২১ অর্থবছরে বহির্বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশ শক্তিশালী হয়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার দ্রুত সঞ্চয় সম্ভব হয়েছে। আজ সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১-২২ পেশ করে কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতি নির্মলা সীতারামন বলেছেন যে, চলতি বছরে ভারতে বহির্বাণিজ্য ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ঘটেছে। তবে করোনা জনিত পরিস্থিতির জেরে এক্ষেত্রে ২০২২-২৩ অর্থবছরে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিতে পারে।

বহির্বাণিজ্যের হাল হকিকত-

সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াকলাপের পুনরুজ্জীবনের সাথে বিশেষ চাহিদা পুনরুদ্ধারে কারণে ভারতের পণ্যদ্রব্য রপ্তানি এবং আমদানি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। চলতি আর্থিক বছরে প্রাক করোনা স্তরকে অতিক্রম করেছে। রপ্তানি পুনরুদ্ধার ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গুলির মাধ্যমে সরকার সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহায়তা করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং চীন ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে নভেম্বর মাসে শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে রয়ে গেছে।

পরিষেবা ক্ষেত্রে বাণিজ্য-

করোনা পরবর্তী সময়ে ভারত বিশ্ব পরিষেবা বাণিজ্যে তার কার্যক্ষমতা বজায় রেখেছে। এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর, ২০২১-এ পণ্য পরিষেবা রপ্তানি বৃদ্ধির পরিমাণ হয়েছে ১৮.৪ শতাংশ। কেবল এপ্রিল মাসে পরিষেবা আমদানি ২১.৫ শতাংশ বেড়ে ১০৩.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে।

কারেন্ট একাউন্ট ব্যালেন্স-

অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে ভারতের কারেন্ট একাউন্ট ব্যালেন্স ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথমার্ধে জিডিপির ০.২ শতাংশের ঘাটটিতে পরিণত হয়েছে। যা মূল বাণিজ্য একাউন্টে ঘাটতির প্রভাব থাকে।

ক্যাপিটাল একাউন্ট-

সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে নেট বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ চলতি আর্থিক বছরের প্রথমার্ধে ২৫.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পরিণত হয়েছে।

এছাড়াও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং বিদেশি ঋণের পরিমাণও সমীক্ষায় প্রকাশ পেয়েছে।