ডিজিটাল; দেবাঞ্জন দাস; ১৪ এপ্রিল; কলকাতা: বিশেষজ্ঞরা বলেন বেশিরভাগ মনের রোগ সারাতে হলে মন খুলে হাসিটাই হলো সবচেয়ে বড়। হাসির মাধ্যমে বিভিন্ন রোগ সেরে যায় এক নিমিষেই। প্রাতঃভ্রমণে শরীর চর্চার ক্ষেত্রে লাফিং ক্লাব এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু বর্তমান ব্যস্ততা জীবনে এখন মন খুলে হাসিটা প্রায় নেই বললেই চলে। সারাদিন ব্যস্ততার মাঝে বিভিন্ন কাজ করার পর বাড়িতে বসেই একটু মন খুলে হাসি হাসার জন্য বাংলায় এই প্রথম আসতে চলেছে ইউনিটি পিকচার্সের সিটকম সিরিজ ‘ পাঁচফোরনস্ ‘ ।
বাংলা ভাষায় সিটকম এই প্রথম একথা দাবি করছেন এই সিরিজের পরিচালক ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায়।
সম্প্রতি পাঁচফোরনস্ এর পোস্টার লঞ্চ হয়ে গেল। উপস্থিত ছিলেন এই সিরিজের বেশিরভাগ কলাকুশলীরা এবং তার সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা।
প্রযোজক হিসেবে আছেন মহুল সিংহ ।
এই সিরিজে কাজ করেছেন হাসির অন্যতম রাজা পরান বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্ক ভট্টাচার্য, সাম্য সমাদ্দার, সুমিত প্রামাণিক, শুভাশিস শিকদার, শৌনক রায় প্রমূখ।
পরিচালক এবং একাধারে চিত্রনাট্য যিনি লিখেছেন ইন্দ্রনীল বন্দোপাধ্যায় বলেন, বর্তমানে মানুষ হাসতে ভুলে গেছে। এটি বাংলার প্রথম সিটকম বা সিচুয়েশনাল কমেডি। এর আগে হিন্দিতে বহু সিটকম আমরা দেখেছি। আমার দাবি এখানে শুধু হাসি নয় বেঁচে থাকার রসদ খুঁজে পাবেন দর্শকরা।
তিনি আরো বলেন সবচেয়ে বড় বিষয় হলো কোন ছবির কনটেন্ট। একটা ছবির কনটেন্ট বা বিষয়বস্তু যদি ভাল হয় তাহলে ছবিটির মান অনেক বেড়ে যায়। বর্তমানে কমেডি হচ্ছে না। কমেডি করা কিন্তু সবচেয়ে কঠিন কাজ। এই সিরিজটা দেখে সাধারণ মানুষ নিজের হাসি চেপে রাখতে পারবে না এমনটাই দাবি তার।
প্রযোজক মহুল সিংহ জানান, এই সিরিজের প্রযোজনা করতে পেরে তিনি অত্যন্ত খুশি। তিনি পরিচালককে কাজ করার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন এবং সেই স্বাধীনতাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে পরিচালক কাজ করেছেন।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মাসেই ওটিটি প্ল্যাটফর্ম মোজোপ্লেক্সে দর্শকরা দেখতে পারবেন ফুল অন কমেডি সিরিজ পাঁচফোরনস্ ।