ডিজিটাল; ১ মে: কলকাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে নেতাজী সুভাষ ডকের ৫ নম্বর বার্থে ২৪শে মার্চ যে মালবাহী জাহাজটি দূর্ঘটনার কবলে পড়েছিল তার জেরে বন্দর কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। ওইদিন ৫ নম্বর ডক থেকে এমভি মেরিন ট্রাস্ট-০১ জাহাজটিতে পণ্য বোঝাই করা হচ্ছিল। এরপর বাংলাদেশের চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করার সময় জাহাজটি জল ঢোকা শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে জাহাজে অপরিকল্পিতভাবে পণ্য বোঝাই করা হয়েছিল, সেই কারণেই এই বিপত্তি।
২৪শে মার্চ এই ঘটলেও যে সংস্থা জাহাজের মালিক, তার কোন প্রতিনিধি বন্দরে আসেননি। জাহাজ কোম্পানী জাহাজটিকে জল থেকে উদ্ধারের জন্য যে সংস্থাকে দায়িত্ব দিয়েছিল সেই সংস্থা এইচ অ্যান্ড এম অথবা পি অ্যান্ড আই বীমা সংস্থাগুলির স্বীকৃত নয়। বর্তমানে উদ্ধারকারী সংস্থাটিও তাদের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। জাহাজের মালিক সংস্থা ইতিমধ্যে জানিয়েছে তারা ওই ডুবন্ত জাহাজটিকে নেবেন না। এরফলে নেতাজী সুভাষ ডকের ৫ নম্বর বার্থে অন্য কোনো জাহাজ পণ্য বোঝাই বা পণ্য নামাতে পারছে না। ফলে কলকাতা বন্দরে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। তবে দূর্ঘটনার কবলে পড়া জাহাজটির ১৫ জন নাবিককে নিরাপদে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দরের মেরিন ক্লাবে রাখা হয়েছে।
যদিও জাহাজের মূল সংস্থা জাহাজটিকে পরিত্যাক্ত বলে ঘোষণা করেছে এখন জাহাজটিকে জল থেকে তোলার কাজে এবং বার্থটির মেরামতির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়াও জাহাজটিকে ওঠানোর পরে সেই জাহাজের মেরামতির কাজেও অর্থের প্রয়োজন।
নিয়ম অনুসারে এইচ অ্যান্ড এম সংক্রান্ত বীমা সংস্থাটি জাহাজটিকে বাতিল বলে ঘোষণা না করায় জাহাজের মালিক সংস্থা উদ্ধারের দায় এড়াতে পারেন না। যেহেতু জাহাজের নাবিকরা এই জলযানের বিষয়ে বিস্তারিত জানেন তাই জাহাজটি উদ্ধারের কাজ শুরু করলে এদের সাহায্যের প্রয়োজন।
তথ্য: পি আই বি
