
শুভাবরি ওয়েবডেক্স, ১২ মার্চ, কলকাতা:আমরা বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস , বিশ্ব যোগা দিবস বা বিশ্ব হেয়ারিং দিবসের কথা শুনেছি। অল্প বিস্তর এই দিনগুলি পালনও করে থাকি।কিন্তু বিশ্ব ঘুম দিবসের কথা শুনেছি কি আমরা?
হ্যাঁ! বিশ্বাস না হলেও এটাই সত্যি । আগামী ১৫ মার্চ ২০১৯ পালন হতে চলেছে বিশ্ব ঘুম দিবস। Orange Sleep Apnea Clinic এবং Somnos Sleep Clinic – World Sleep Society র যৌথ উদ্দ্যোগে আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডা. সৌরভ দাস, ডা. উত্তম আগরওয়াল ।
ঘুম নিয়ে আমরা অনেক সময়েই বিভিন্ন রকম আলোচনা করি, সচেতনতার কথাও বলি। কিন্তু তা পালন করি কতটা?
ডা দাসের কথায় ,”এই নিয়ে ১২তম বিশ্ব ঘুম দিবস পালন করা হচ্ছে । ঘুম ও তার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সচেতনতা বৃধি করতেই এই প্রয়াশ। সবমিলিয়ে ৬৮টি দেশে এই দিন পালন করা হবে। বর্তমানে ঘুম সংক্রান্ত সমস্যা সারা বিশ্বে দেখা যাচ্ছে ।তাড়াতাড়ি ঘুম ভেঙে যাওয়া,ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা, ঘুমের ঘোরে কথা বলা -অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নড়ানো প্রভৃতি কিন্তু হতে পারে ঘুম জনিত কোনো রোগের কারণ। বিছানায় ঘুমোতে যাবার সময় মোবাইল,টিভি দেখার অভ্যাস ত্যাগের কথাও তিনি বলেন। প্রত্যেক মানুষের নূন্যতম ৭ থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমের দরকার।ঘুমের অনিয়ম হওয়ার ফলে হার্ট অ্যাটার্ক, ডিপ্রেসন , হাইপারটেনশন সহ বহু রোগ দেখা যায়। “
ডা. উত্তম আগারওয়াল বলেন, “বর্তমানে আমাদের জীবনযাত্রা কিছুটা হলেও ঘুমের সমস্যার জন্য দায়ী । ফলে বর্তমানে স্লিপ অ্যাপ্নিয়া র প্রবণতাও বৃধি পাচ্ছে ।” তিনি এর প্রতিষেধক হিসাবে বলেন বলেন,” জাঙ্ক ফুডের পরিমান কমাতে হবে, ঘুমের জায়গা পরিষ্কার রাখতে হবে, পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, ঘুমোতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার সময় নির্দিষ্ট করতে হবে ।”কোনো সমস্যা হলেই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলেন তিনি।
এছাড়া সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন , অমিত চক্রবর্তী (SEFAM), জয়দীপ চক্রবর্তী।
