ডিজিটাল; ১৪ জুন : ১২ ও ১৩ জুন সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের অধীনে, কৃষ্ণনগর সেক্টরের ০৮ এবং ৬৮ বাহিনীর সতর্ক বিএসএফ জওয়ানেরা তাহাদের নিজ নিজ এলাকায়, অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করার সময় ১০ জন বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করেছে। তাহাদের পরিচয় নিম্নরূপ ১. হৃদয় বড়ই (১৮),
২. বাবুল চন্দ্র দে, ৩. মানিক চন্দ্র পালরাণক (৪৩), ৪. জানেদা খাতুন (৬৫) ৫. শিউলি বেগম (২৯) , ৬. প্রিয়া খাতুন (২৯) ৭. আখতার চৌধুরী (৬৯) তাহার স্ত্রী ৮. তহুরান খাতুন (৫০), ৯. জুলেখা বেগম (৪৫) ১০. দোলনা বেগম (৫০)।

জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে যে, তাহারা সকলে বাংলাদেশী নাগরিক, এবং কাজ করতে ভারতে এসেছিল, তাহার মধ্যে একজন মহিলা শিউলি বেগম কলকাতার একটি পানশালায় নাচতেন, এবং মাসে ৬০ হাজার টাকা আয় করতেন, প্রিয়া খাতুন নামের আরেক জন মহিলাকে তাহার বন্ধু ২০ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছিল এবং একজনের বাড়িতে ভৃত্যের কাজ করত ।
আখতার চৌধুরী এবং তাহার স্ত্রী ভারতে শ্রমিকের কাজ করতেন, এবং তাহাদের মেয়েকে একজন ভারতীয় ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছেন, এবং এখন তাহারা, তাহাদের বাংলাদেশের বাড়ি বিক্রি করতে ফিরে যাচ্ছিলেন,
একজন ব্যক্তি চিকিৎসার জন্য ভারতে যাচ্ছিলেন, সীমান্ত পার হওয়ার সময় বিএসএফ জওয়ানেরা তাহাকে আটক করেছে ।
অন্যদিকে জুলেখা বেগম ও দোলনা বেগম কাজের সন্ধানে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসছিলেন। সীমান্ত অতিক্রম করার সময় বিএসএফ জওয়ানদের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ।

গ্রেফতারকৃত নাগরিকদের বিএসএফ সদিচ্ছা ও মানবিকতা হিসেবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করেছে।

বাহিনীর কমান্ডিং অফিসার বলেছেন যে , সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। যাহার কারণে প্রতিনিয়ত মানুষ ধরা পড়ছে । ধরা পড়া মানুষদের অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে, তাহাদের বিজিবি, বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।