ডিজিটাল : কোভিড অতিমারির অন্ধকার বছরগুলিকে দূরে ফেলে পৃথিবী আবার শান্ত স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। কিন্তু কোভিডের রেশ এখনো যায় নি বরঞ্চ দিনে দিনে কোভিডের প্রভাব বেড়েই চলেছে। এই অবস্থায় মাস্ক পরার অভ্যাস বজায় রেখে সুস্থ ও সতর্ক থাকার বার্তা দিলেন উডল্যান্ডস হাসপাতালের মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. সৌতিক পান্ডা।
কোভিড অতিমারির বিশ্বব্যাপী ঝড় আপাতত থেমেছে, পৃথিবী আবার শান্ত স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। মানুষ ফিরে যাচ্ছেন তাঁদের পুরান অভ্যাসে আর ভুলে যেতে যেতে একসময় মাস্ক পরাই ছেড়ে দিচ্ছেন আর বুনছেন নিজের ও পরিবারের বিপদের সম্ভাবনার বীজ। সভ্যতার ইতিহাস দেখলে দেখা যায় কোন অতিমারি বা মহামারির পরেই রোগটা লুপ্ত হয়ে যায় নি, বরঞ্চ পরবর্তি বছরগুলির বিভিন্ন সময়ে প্লেগ, ফ্লু বা চিকান পক্সের মতো অসুখ বারে বারে ফিরে এসেছে। ব্যতিক্রম হচ্ছে না এবারেও। কখনও সাধারণ কোভিড কখনো বা কোভিড ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টা বা ওমিক্রনের রূপ ধরে অসুখটি ফিরে আসছে। এখনও সারা দেশের সঙ্গে আমাদের কলকাতাতেও গ্রাফ উর্ধমুখী। প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রামিতের সংখ্যা। আবার এই অসুখের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে হলে প্রাথমিক সতর্কতা হিসাবে মাস্ক পরতে হবে, মাস্ক পরার অভ্যাসটি বজায় রাখতে হবে। ফ্যাসনেবল মাস্কের থেকে ত্রিস্তর বিশিষ্ট মাস্ক ভাইরাস আটকাতে অনেক বেশী কার্যকরী। সুতীর ত্রিস্তর বিশিষ্ট মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন বাড়ি ফিরে সাবানে কেচে এগুলি পুনর্ব্যবহারও করা যায়। যতই এক বা একাধিক ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়া থাক করোনা থেকে দূরে থাকতে হলে মাস্ককে আপনার পোষাকের অঙ্গ করতেই হবে।
মাস্ক পরলে শুধু করোনা নয় সাধারণ সর্দি কাশি থেকে হাঁপানি, সিওপিডি অর্থাত যে কোন এয়ার বর্ণ ইনফেকশনই দূরে থাকবে। ধীরে ধীরে কমে আসবে বিভিন্ন বাতাস বাহিত ভাইরাস ও অন্যান্য জীবানু ঘটিত রোগের প্রকোপও। তাছাড়া মাস্ক শরীরকে বাতাসের দূষন থেকেও রক্ষা করে।
তাই আবার মাস্ককে জীবনের অঙ্গ করে তুলুন। বাইরে বেরনর সময় জামা জুতো পরার মতো করে মাস্কটাও পরে নিন। শরীরের গোপণ অঙ্গের মতোই নাক মুখকে মাস্কের আবরণে ঢেকে রাখুন। আপনি সাবধানে থাকুন সকলকে সাবধানে রাখুন।
যোগাযোগঃ 07604075551-55
