ডিজিটাল; ২৪ আগস্ট:
সেন্ট্রাল ক্যালকাটা সায়েন্স ও কালচার অরগানাইজেশন ফর ইউথের উদ্যোগে ২৫ তম ন্যাশানাল এক্সহিবিশন শুরু হল সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে। চলবে ২৭শে আগষ্ট পর্যন্ত ।
দেশের যুবকদের দেশীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য , বিজ্ঞান সহ বিভিন্ন বিষয়ে অবগত করা হলো এই প্রদর্শনীর মূল লক্ষ্য। প্রদর্শনীতে ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন বিভাগ নিজস্ব প্রতিরক্ষা বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে অংশগ্রহণ করে। তার সাথে রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েও স্টল লক্ষ্য করা যায়। সব মিলিয়ে প্রায় একশোর মতন স্টল এখানে আছে।
আজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌগত রায়, সব্যসাচী দত্ত চেয়ারম্যান সল্টলেক পুরসভা, অধ্যাপক ডঃ ধ্রুবজ্যোতি চট্টোপাধ্যায়, কাজল সুর, প্রমূখ।
সংস্থার মুখ্য সাধারণ সম্পাদক নিমাই চন্দ্র প্রামাণিক বলেন এই বারের মেলায় ডি.আর.ডি ও; ইন্ডিয়ান আর্মি, জল ও বিমান বাহিনী, উপকূল রক্ষা বাহিনী অংশ গ্রহণ করেছে। মেলায় তুলে ধরবে যুব সমাজের কাছে কিভাবে ভারতের ভূ-খন্ড ও সার্বোভৌমক্ত্য রক্ষা করা হবে।
এবারে মেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তর, বায়োটেকনো, ভূমি ও রাজস্ব সপ্তর, জাতীয় সংগ্রহশালা, আয়ূরবেদ, প্রত্মতাত্ত্বিক গ্রহণ করছে। এদের মাধ্যমে মেলায় আগত ছাত্র ছাত্রীরা তাদের ভবিষ্যৎ গঠনেরও সু-পরিকল্পিত মতামতের দিশা পাবে । মেলায় প্রবেশ আবাধ, সাধারণ সম্পাদিকা রীতা পাল জানান, মেলায় প্রতিদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা চক্র, বিতর্ক সভা ইত্যাদি থাকবে। এক কথায় মেলা হবে একদম জমজমাট।
অনুষ্ঠান সম্পর্কে পাবলিসিটি অফিসার প্রসেনজিৎ ঘোষ এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক অনুপম চট্টোপাধ্যায় জানান – এই উৎসবের মাধ্যমে কেরিয়ার গঠন, – মানসিক গঠনের পাশাপাশি মানুষের কাছে বাংলা ও ভারতবর্ষের মূল উদ্দেশ্য। তাই এই প্রদর্শণী শুধুমাত্র প্রদর্শনীই নয় সমাজ শিক্ষার এক অধ্যায় হিসাবে কাজ করবে।
আজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলকাতা এবং আশেপাশের বহু স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী অংশগ্রহণ করে। তারা বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখে এবং দেশের প্রতিরক্ষার বিভিন্ন সরঞ্জাম সম্পর্কে নিজেদের জ্ঞান ভান্ডারকে সম্প্রসারিত করে।
এই এক্সিবিশন ২৭ তারিখ পর্যন্ত সকাল বারোটা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। আমি চোখ রা দেশের যুবসমাজকে এই এক্সিবিশনে আসার জন্য আহ্বান জানান।
সারা বছর ধরেই এই সংস্থা কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সুপ্ত হয়ে থাকা প্রতিভাকে খুঁজে আনার জন্য কাজ করে থাকে।
