ডিজিটাল: ডালিম সকলেরই পরিচিত একটি ফল। ডালিম কে ইংরেজি ভাষায় পমেগ্রেনেট (pomegranate)বলা হয় এবং হিন্দি, ফার্সি ও পশতু ভাষায় আনার বলা হয়।বেদানা বা ডালিমের বৈজ্ঞানিক নাম: Punica granatum ।
দেশ ভেদে ডালিমের নাম ভিন্ন হতে পারে তবে শুধু স্বাদেই নয় ,স্বাস্থ্য ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফল সকলেরই অতিপ্রিয়। ডালিম ফল, গাছের পাতা, ছাল, মূল সবই ঔষধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

অত্যন্ত পুষ্টি সমৃদ্ধ ফল ডালিম কার্যকরীভাবে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স যেমন-থায়ামিন, রাইবোফ্লাবিন, নিয়াসিন এবং আয়রন, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও জিংক দ্বারা সমৃদ্ধ।সব বয়সের সব মানুষের জন্য ডালিম খুবই উপকারী।কিন্তু এই ফলের উপকারিতার কথা ও আমাদের জেনে নেওয়া উচিত।

চলুন তাহলে ডালিমের উপকারিতা সম্পর্কে একটু জেনে নেওয়া যাক—
১) ডালিম অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদানে ভরপুর হওয়ায় , জিনের ক্ষয় প্রতিরোধ ও মেরামতেও সহায়তা করে। এতে ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস পায়।
২) ডালিমের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী গুণ থাকায়, এটি শরীরের ক্ষতিকর ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৩) ফাইবার বা আঁশ থাকায় এটি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।
৪) ডালিম স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়ক ।
৫) বেদানাতে রয়েছে প্রচুর আয়রন,ফলস্বরূপ রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে অ্যানেমিয়া প্রতিরোধ করতে সক্ষম এই ফল।
৬) ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখে। ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে বাধা দেয়।
৭) বাত, অস্টিওআর্থারাইটিস, পেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে এবং তরুণাস্থির ক্ষয় রুখতেও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ এই ফল। এছাড়া এটি হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা কমাতে ও সহায়তা করে।
৮) ডালিম রুচি বৃদ্ধি করে,ক্ষুধা বাড়ায়, কোষ্টকাঠিন্য রোধ করে।
৯) বেদানাতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকার জন্য,এটি দাঁতে প্লাক জমতে বাধা দেয়।
১০) ফাংগাস ইনফেকশনের বিরুদ্ধেও বিশেষ ভূমিকা রাখে বেদানা।
১১)রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
১২)অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে ‘ফ্রি রেডিক্যাল’, কোলেস্টেরল এবং রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে সাহায্য করে।