ওয়েব ডেস্ক; ১৪ ফেব্রুয়ারি: ১২ ফেব্রুয়ারী দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের সীমা চৌকি ঘোজাডাঙ্গা, ১৫৩ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ-এর সতর্ক সৈন্যরা, মুদ্রা পাচারের চেষ্টাকে ব্যর্থ করে, দুই চোরাকারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে এবং দুটি পৃথক ঘটনায় মোট ৪,৭০,২৭০/- বাংলাদেশী মুদ্রা এবং অন্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে। জব্দকৃত বাংলাদেশি টাকার ভারতীয় মূল্য ৩,৭০,৯৫৪/- টাকা।
১২ ফেব্রুয়ারী , বিএসএফ কর্মীরা একজন ভারতীয় পাসপোর্টধারীকে থামায় যে আইসিপি ঘোজাডাঙ্গা পার হয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। বিএসএফের তল্লাশিতে তার অন্তর্বাস থেকে ৩ বান্ডিল বাংলাদেশি নোট উদ্ধার করা হয়। যার মধ্যে মোট ৩,৬৭,৬৪০/- বাংলাদেশী টাকা ছিল। তার কাছে টাকা লেনদেনের কোনো নথি না থাকায় পর্যাপ্ত কাগজপত্র ছাড়াই বৈদেশিক মুদ্রা বহনের অভিযোগে তাকে টাকাসহ গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত ব্যক্তির পরিচয় – ইসলাম, বয়স- ৫২ বছর, পিতা – মহম্মদ উসমান আনসারি, গ্রাম- হরিপুর, পোস্ট- পরাসিয়া, পুলিশ স্টেশন- নবীনগর, জেলা- আওরঙ্গাবাদ, বিহার। সতর্ক বিএসএফ সদস্যরা তাকে বাংলাদেশী টাকা সহ সেই সময় ধরে, যখন সে ইটিন্দা বাজার থেকে বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছিল।
দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে ১২ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশে যাওয়ার জন্য কাস্টমস প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়া ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীকে ডিউটিতে থাকা বিএসএফ সদস্যরা থামায়। বিএসএফ তল্লাশি করলে তার ব্যাগ থেকে বাংলাদেশি নোটের বান্ডিল সহ অন্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। তার কাছে ১,০২,৬৩০/- ছিল বাংলাদেশী টাকা। সেই সাথে জব্দকৃত অন্য সামগ্রীর মূল্য ৬১,৯৬০/- টাকা।
আটক নাগরিকের পরিচয় -গোপাল আইচ, বয়স- ৬৪ বছর, মৃত নিমাই আইচ, গ্রাম- ডান্ডিরহাট, পুলিশ স্টেশন- বসিরহাট, জেলা- উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ।
জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে যে সে একজন ভারতীয় নাগরিক এবং বসিরহাটের ডান্ডিরহাট গ্রামের বাসিন্দা। সে পেশায় একজন কাপড় বিক্রেতা। সে আরও বলে, সে প্রায়ই বিজনেস ভিসায় বাংলাদেশে যায় এবং বাংলাদেশে ভারতীয় পণ্য বিক্রি করে।
এই সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করে দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, আমাদের জওয়ানরা সব ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
