শুভাবরি ওয়েব ডেস্ক, ১ মার্চ, ব্যুরো রিপোর্ট:
ভরতপুর সমুদ্র সৈকত। আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত নেইল দ্বীপের ( বর্তমান নাম ‘ শহিদ দ্বীপ’ ) একটি পর্যটন কেন্দ্র । অত্যন্ত কম জনসংখ্যার এই স্থানের মানুষের আয়ের মূল উৎস পর্যটনকে কেন্দ্র করে। আর তার ফলেই তৈরি হয়েছে বিভিন্ন হোটেল-রিসর্ট এবং ছোট ছোট স্পিডবোটে করে ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের সমুদ্রে বিভিন্ন জলের খেলায় আনন্দে ভরিয়ে রাখার বিভিন্ন কর্মসূচি।

এই ভরতপুর সমুদ্র সৈকতে পাশে অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্র গুলোর মতই খাবারের দোকান এবং বিভিন্ন জিনিসপত্রের দোকান তৈরি হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হল প্রশাসন এই সৈকতকে আরো সুন্দর করে সাজাতে চাইছে। তিন বছর আগে সে কারণে একেবারে সৈকতের গা-ঘেষা দোকানগুলোকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অন্য জায়গায় চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা কর্ণপাত করেনি।

সেই কারণে ২৮ ফেব্রুয়ারি সমস্ত দোকানগুলোকে ভেঙে সৈকতটিকে পরিচ্ছন্ন করার চেষ্টা চলছে। অবশ্যই এর পাশাপাশি প্রশাসন জঙ্গল পরিষ্কার করে সৈকতের একদম পাশেই এই দোকানদারদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে চলেছে।

এটা পরিকল্পনা মাফিকই করা হয়েছে বলে স্থানিয়রা মনে করে। তার কারণ এপ্রিল মাসের পর থেকে এখানে কোন রকম পর্যটক আসেন না। তাই এই স্বল্প বিরতিতে ব্যবসায়ীদের সমষ্যা কম হবে।

অন্যদিকে স্থানীয় মানুষ এবং অন্যান্য দোকানদারদের মন্তব্য হচ্ছে, স্বরাজ দ্বীপের( হ্যাবলক) পর্যটক বেশি গেলেও এই শহীদ দ্বীপে মাধুর্য স্বতন্ত্র। তার কারণ হচ্ছে এই ভরতপুর সৈকত বা লক্ষণপুর সৈকত, এইসব জায়গার প্রাকৃতিক দৃশ্য আরো সুন্দর এবং শহীদ দ্বীপে সেই কারণেই আগামী দিনে স্বরাজ দ্বীপের তুলনায় বেশি সংখ্যক পর্যটক আসবে এটাই আশা করা যায়।

এখন বাকিটা সময় এবং পর্যটকদের আকর্ষণের উপর নির্ভর করছে বাস্তবে কি হবে। তবে নিঃসন্দেহে বলা যায় একটি অত্যন্ত সুন্দর এবং পরিচ্ছন্ন জায়গা হচ্ছে নেইল আইল্যান্ড বা শহীদ দ্বীপ।