ওয়েব ডেস্ক; ১১ মার্চ: উদ্যানপালনের উন্নয়নে যে সুসংহত পরিকল্পনা বা মিশন ফর ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অফ হর্টিকালচার (এমআইডিএইচ) গঠন করা হয়েছে তার অঙ্গ হিসাবে বিভিন্ন রাজ্যে উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা অথবা গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে যৌথভাবে এই কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এখানে উদ্যানপালনের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিষয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। এছাড়াও, কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। উৎকর্ষ কেন্দ্রগুলিতে ফলমূল ও শাকসব্জির উন্নত বীজ উৎপাদন করা হবে। সেই বীজ কৃষকরা সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলি থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়াও, কৃষিকাজ পরবর্তী ব্যবস্থাপনা, সেচের জল ও সার ব্যবহার, গাছকে দুর্যোগ ও কীটপতঙ্গ থেকে রক্ষা করা, নতুন প্রজাতির ফল উৎপাদন সহ নানাধরনের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলি থেকে পাওয়া যাবে।
কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রকের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট মিশনে এ পর্যন্ত ৪৯টি কেন্দ্রের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি কেন্দ্রের বিষয়ে ৯ মার্চ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুর ইন্সটিটিউট অফ হর্টিকালচার রিসার্চ কমলম বা ড্রাগন ফ্রুট – এর জন্য হীরেহাল্লিতে একটি উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তুলবে। এই কেন্দ্রে ড্রাগন ফ্রুট উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠতে সাহায্য করা হবে। পাশাপাশি কৃষকদের আর্থিক উন্নয়নেও সহায়তা করা হবে।
ওডিশার জাজপুরে আম ও শাকসব্জির উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এই কেন্দ্রে ইজরায়েলের কৃষি সংক্রান্ত প্রযুক্তির সাহায্যে সেচের জল ব্যবহার, সারের যথাযথ প্রয়োগ এবং নতুন নতুন প্রজাতির আম ও শাকসব্জি উৎপাদনে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
গোয়ার পোন্ডায় শাকসব্জি ও ফুলচাষ সংক্রান্ত উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। রোগমুক্ত ভালো শাকসব্জির বীজ উৎপাদন, গোয়ার জন্য উপযোগী উন্নত প্রজাতির শাকসব্জি ও ফুল সংক্রান্ত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে পাওয়া যাবে।
এই কেন্দ্রগুলি কৃষি কাজ এবং ফসল তোলার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত তথ্য কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেবে। স্থানীয় আবহাওয়ায় উদ্যানপালনের বিষয়ে নীতি-নির্দেশিকা প্রণয়নে এই কেন্দ্রগুলি সাহায্য করবে।
