ওয়েব ডেস্ক; ১৩ জুলাই: আইসিএআর – এর জাতীয় অন্তঃস্থলীয় মৎস্যচাষ গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান কার্যালয় ব্যারাকপুরে আজ জাতীয় মৎস্যচাষী দিবস পালন করা হয়। জাতীয় মৎস্যচাষী দিবস প্রতি বছর ১০ জুলাই দিনটিতে মৎস্যচাষীদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকাকে সম্মান জানাতে পালন করা হয়। ভারতের প্রথম নীল বিপ্লবের সঙ্গে জড়িত এই মৎস্য চাষীরা। বিশেষ প্রজাতির মৎস্য প্রজননের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণকারী অধ্যাপক হীরালাল চৌধুরী এবং ডঃ আলিকুনি ১৯৫৭ সালে সাফল্য পান। এই ঘটনাকে স্মরণে রাখতে ২০০১ সাল থেকে প্রতি বছর দিনটিকে জাতীয় মৎস্যচাষী দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ডঃ হীরালাল চৌধুরী এবং ডঃ আলিকুনির স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয় । আইসিএআর – এর নির্দেশক ডঃ বসন্ত কুমার দাস সকলকে অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান। তিনি মৎস্যজীবীদের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনার মাধ্যমে যে ২০ হাজার কোটি টাকা সহায়তা প্রদান করছে সরকার, সেই বিষয়টি তুলে ধরেন। আইসিএআর – সিআইএফআরআই ৩ হাজার মহিলাকে মৎস্য চাষের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য প্রদান করে ক্ষমতায়নের লক্ষ্য স্থির করেছে।
রাজ্যের কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডঃ বি বি জানা এবং নতুন দিল্লির কৃষি বিজ্ঞান জাতীয় প্রতিষ্ঠানের সচিব কল্যাণী শাইন ইন্ডিয়া সিআইএফআরআই মৎস্যচাষীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের যে পদক্ষেপ নিয়েছে, সে বিষয় উল্লেখ করেন। আইসিএআর –

সিআইএফআরআই এবং ইটানগরের হিমালয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গবেষণা ও শিক্ষা বিষয়ক সহযোগিতার জন্য একটি মউ স্বাক্ষরিত হয় আজ।
অনুষ্ঠানে ৯ জন উন্নয়নশীল মৎস্যচাষীকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রকাশিত হয় একটি বই ‘সাকসেস স্টোরিস ফ্রম ওয়েট ল্যান্ডস্’।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৯০ জন মৎস্যচাষী।

এই প্রতিষ্ঠানের আঞ্চলিক শাখা বেঙ্গালুরু, ভদোদরা এবং প্রয়াগরাজেও জাতীয় মৎস্যচাষী দিবস পালিত হয়।

সূত্র: পি আই বি