ওয়েব ডেস্ক; ২৩ আগস্ট: ক্রিকেট কিংবদন্তী এবং ভারতরত্ন পুরস্কারপ্রাপ্ত শচীন রমেশ তেন্ডুলকর ভারতের নির্বাচন কমিশনের হয়ে ভোটদাতাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি ও শিক্ষাদানের জন্য ‘জাতীয় আইকন’ হিসেবে এক নতুন ইনিংস শুরু করেছেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার, নির্বাচন কমিশনার অরূপ চন্দ্র পান্ডে এবং অরুণ গোয়েলের উপস্থিতিতে নতুন দিল্লিতে আকাশবাণী রঙ ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিন বছরের মেয়াদে এই কিংবদন্তীর সঙ্গে এক সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়। আসন্ন নির্বাচনে, বিশেষ করে ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে ভোটারদের ভোটদানে অংশগ্রহণ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে যুবসম্প্রদায়ের মধ্যে তেন্ডুলকরের অতুলনীয় প্রভাবকে কাজে লাগাতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। নির্বাচন কমিশন এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে নাগরিকদের, বিশেষ করে যুবসম্প্রদায় ও শহুরে মানুষদের মধ্যে ভোটদান সম্পর্কিত উদাসীনতা কাটিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তাঁদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়েছে।
শচীন তেন্ডুলকর ভারতের নির্বাচন কমিশনের জাতীয় আইকন হিসেবে তাঁর ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ভারতের মতো প্রাণবন্ত গণতন্ত্রে যুবসম্প্রদায় দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খেলাধূলার সময় টিম ইন্ডিয়ার জন্য যেভাবে ‘ভারত, ভারত’ – বলে হৃদয় স্পন্দিত হয়, আমাদের মূল্যবান গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একইভাবে হৃদয় স্পন্দিত হতে পারে। এটি করার সবচেয়ে শক্তিশালী উপায় হ’ল ভোটদানে সক্রিয় অংশগ্রহণ। তিনি জানান, দেশের প্রতিটি প্রান্তের তরুণরা যখন নির্বাচনী গণতন্ত্রে বিপুল সংখ্যায় অংশগ্রহণ করবেন, তখন আমরা দেশের জন্য এক সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ দেখতে পাব।
অনুষ্ঠানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার শ্রী রাজীব কুমার বলেন, শচীন তেন্ডুলকর শুধু ভারতের একজন আইকন নন, বিশ্বব্যাপী তাঁর সম্মান রয়েছে। শ্রী কুমার আরও বলেন, শচীন তেন্ডুলকরের বর্ণময় কর্মজীবনই হ’ল বিশেষ উল্লেখযোগ্য। তার প্রভাব খেলাধূলার বাইরেও প্রসারিত। এই কারণেই ভারতের নির্বাচন কমিশন ভোটারদের ভোটদানের উৎসাহ যোগাতে শচীন তেন্ডুলকর-কে জাতীয় আইকন হিসেবে বেছে নিয়েছে।
শচীন তেন্ডুলকর ভোটারদের সচেতনতা প্রসারে বিভিন্ন আলোচনামূলক টিভি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার চালাবেন। এর লক্ষ্য হ’ল ভোটদানের গুরুত্ব সম্পর্কে ভোটারদের অবগত করা এবং দেশ গঠনে ভোটাররা যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন, সে সম্পর্কে সচেতন করে তোলা। অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামার ছাত্রছাত্রীরা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে তুলতে ভোটদানের গুরুত্বের উপর একটি উপস্থাপনা দর্শকদের সামনে প্রদর্শন করেন।
