ওয়েব ডেস্ক; ১৯ ফেব্রুয়ারি: কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক ‘প্রবীণ শিল্পীদের আর্থিক সহায়তা প্রকল্প’ বা স্কিম ফর ফিনান্সিয়াল অ্যাসিস্টেন্স ফর ভেটেরান আর্টিস্টস প্রকল্পের মাধ্যমে ষাটোর্ধ্ব শিল্পীদের আর্থিক সহায়তা করে থাকে। যাঁদের বার্ষিক আয় ৭২ হাজার টাকার বেশি নয়, যাঁরা শিল্পকলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন অথচ বয়সের কারণে আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছেন, তাঁরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। সুবিধা প্রাপক শিল্পীদের প্রতি মাসে ৬ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। যেসব শিল্পীরা রাজ্যসরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসনের কাছ থেকে প্রতিমাসে ৫০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পান অথবা কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের আঞ্চলিক সংস্কৃতি কেন্দ্রে যাঁদের আবেদন যাচাই করা হয়েছে, তাঁরাই এই প্রকল্পে যুক্ত হতে পারবেন।
পশ্চিমবঙ্গে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ২৫ জন, ২০-২১ অর্থবর্ষে ৩৭ জন, ২১-২২ অর্থবর্ষে ৩২ জন এবং ২২-২৩ অর্থবর্ষে ২৭ জন শিল্পী এই সুবিধা পেয়েছেন। এর জন্য সংশ্লিষ্ট বছরগুলিতে যথাক্রমে ৮ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা, ৫ লক্ষ ৯ হাজার টাকা, ১২ লক্ষ ৩১ হাজার টাকা এবং ১১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।
ত্রিপুরায় ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ২ জন, ২০-২১ অর্থবর্ষে এক জন, ২১-২২ অর্থবর্ষে ২ জন এবং ২২-২৩ অর্থবর্ষে এক জন এই সুবিধা পেয়েছেন। এর জন্য সংশ্লিষ্ট বছরগুলিতে যথাক্রমে ৬ হাজার টাকা, ২৪ হাজার টাকা, ৯২ হাজার টাকা এবং ১২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।
আসামে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ৫ জন, ২০-২১ অর্থবর্ষে ২ জন, ২১-২২ অর্থবর্ষে এক জন এবং ২২-২৩ অর্থবর্ষে এক জন এই সুবিধা পেয়েছেন। এর জন্য সংশ্লিষ্ট বছরগুলিতে যথাক্রমে এক লক্ষ ৯২ হাজার টাকা, ৯৬ হাজার টাকা, ৪৮ হাজার টাকা এবং এক লক্ষ ৫৭ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় জীবন বীমা নিগম ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ২১০৪ জন, ২০-২১ অর্থবর্ষে ১০৭৫ জন, ২১-২২ অর্থবর্ষে ৯৭৮ জন এবং ২২-২৩ অর্থবর্ষে ৯৯৬ জন শিল্পীকে এই সুবিধা দিয়েছে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট বছরগুলিতে যথাক্রমে ১৪ কোটি ৬১ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা, ৫ কোটি ২৭ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা, ৬ কোটি ৩৯ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকা এবং ৭ কোটি ৮৩ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
রাজ্যসভায় সম্প্রতি এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি, পর্যটন এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি।
