ওয়েব ডেস্ক; ৯ মে : কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের সচিব অপূর্ব চন্দ্র জানিয়েছেন, সময় মতো থ্যালাসেমিয়া রোগ শনাক্তকরণ করা গেলে এই রোগের মোকাবিলা সম্ভব। আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একথা জানান তিনি।
তিনি এই রোগ প্রতিরোধের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, এই রোগ মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর উপায় হ’ল সময় মতো শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসা। তিনি জানান, দেশে প্রায় ১ লক্ষ থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছেন। প্রতি বছর নতুন করে প্রায় ১০ হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগীর সন্ধান মেলে। এই রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা প্রসারের উপর জোর দেন তিনি। চন্দ্র আরো বলেন, এখনও অনেক মানুষ এই রোগ সম্পর্কে অবগত নন। অনেকেই জানেন না যে, কিভাবে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই, থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে দেশব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধিতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। থ্যালাসেমিয়ার জন্য কার্যকর প্রতিরোধ পদ্ধতি এবং সর্বোত্তম চিকিৎসার বিষয়ে প্রচারের জন্য ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অফ পেডিয়াট্রিক্স এবং থ্যালাসেমিয়া ইন্ডিয়া’র সহযোগিতায় তৈরি একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব এই রোগ প্রতিরোধের উপায় হিসেবে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের আওতায় রিপ্রোডাক্টিভ অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ (আরসিএইচ) কর্মসূচিতে বাধ্যতামূলকভাবে থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষেও পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, কয়েকটি রাজ্য তাদের জনস্বাস্থ্য কর্মসূচির আওতায় এই বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। অন্য রাজ্যগুলিকেও এই পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
থ্যালাসেমিয়া উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত রক্ত সংক্রান্ত ব্যাধি। প্রতি বছর আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস উদযাপনের লক্ষ্যই হ’ল – এই রোগ প্রতিরোধে গুরুত্ব, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তদের জন্য যথাযথ চিকিৎসা সুনিশ্চিত করা। এ বছরের থিম হ’ল – ‘জীবনের ক্ষমতায়ন, অগ্রগতিকে আলিঙ্গন: সকলের জন্য ন্যায়সঙ্গত ও সুলভ চিকিৎসা’।
