ওয়েব ডেস্ক; ৭ ডিসেম্বর : ভারত সরকার ফেব্রুয়ারি ০৫ – ০৯, ২০২৫ ওয়ার্ল্ড অডিও-ভিজ্যুয়াল অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট সামিট (ডাবলুএভিইএস) আয়োজন করতে চলেছে। কিন্তু তার আগে দেশের গণমাধ্যম এবং বিনোদন শিল্পে কর্ম তৎপরতা এবং বিশ্বে তার প্রভাব আরও বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘ডিজাইন ইন ইন্ডিয়া, ডিজাইন ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর দিশা নির্দেশ অনুযায়ী সূচনা হয়েছে ‘ক্রিয়েট ইন ইন্ডিয়া চ্যালেঞ্জ – সেশন ১’-এর।

এই উদ্যোগের অঙ্গ হিসেবে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অধীন প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো কলকাতা এবং সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ কমিউনিকেশন ডাবলুএভিইএস সম্পর্কে সচেতনতার প্রসারে সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে রোড শো-র আয়োজন করলো।

পিআইবি এবং সিবিসি-র পূর্বাঞ্চলীয় মহানির্দেশক টিভিকে রেড্ডি, সিবিসি কলকাতার অধিকর্তা পার্থ ঘোষ, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের আঞ্চলিক আধিকারিক ডঃ সুশ্রুত শর্মা, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম স্টাডিজ বিভাগের প্রধান এবং কমিউনিটি রেডিও চেয়ারপার্সন অভিজিৎ রায়, ভিএফএক্স প্রশিক্ষক সুব্রত সাহা, বিশিষ্ট সাংবাদিক অশোক সেনগুপ্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

গণমাধ্যম এবং বিনোদন সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় দেড়শো পড়ুয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

প্রারম্ভিক ভাষণে রেড্ডি ভারতীয় গণমাধ্যম এবং বিনোদন শিল্পের সম্ভাবনার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভারতের বাজারে এক্ষেত্রে রাজস্ব সংগ্রহ এবং কর্মসংস্থানের প্রচুর সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও জানান যে, ভারত গণমাধ্যম এবং বিনোদন ক্ষেত্রের বাজার আগামী ৫ বছরের মধ্যে চারগুণ করে তোলার লক্ষ্য রেখেছে। ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি দেশ করে তুলতে গণমাধ্যম এবং বিনোদন শিল্প বড় ভূমিকা নেবে। ডাবলুএভিইএস-এর আওতায় ‘ক্রিয়েট ইন ইন্ডিয়া চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য তিনি পড়ুয়াদের কাছে আবেদন রাখেন।

রায় বলেন, ডাবলুএভিইএস বিষয়বস্তু নির্মাতাদের সামনে বড় সুযোগ এনে দেবে। চিরাচরিত গণমাধ্যমের পাশাপাশি কমিউনিটি রেডিও-র মতো উদ্যোগকে যেভাবে জোরদার করে তোলা হচ্ছে তা প্রশংসাযোগ্য বলে তিনি মনে করেন। ডাবলুএভিইএস-এর আওতায় আলোচনার পরিসর বৃদ্ধি পাওয়াও ইতিবাচক প্রবণতা বলেও তাঁর মন্তব্য। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

বক্তরা এসংক্রান্ত উদ্যোগের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রককে সাধুবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে ভারতে গণমাধ্যম এবং বিনোদন ক্ষেত্রের বর্তমান চালচিত্র সম্পর্কে সার্বিক পর্যালোচনা হয়। গুরুত্ব পায় প্রযুক্তিগত রূপান্তরের বিষয়টি। ডাবলুএভিইএস এবং ‘ক্রিয়েট ইন ইন্ডিয়া চ্যালেঞ্জেস’ সম্পর্কে ভিডিও দেখানো হয় সেখানে। ছিল মিশন ‘লাইফ’ সম্পর্কে একটি উপস্থাপনা।