ওয়েব ডেস্ক ; ১০ ডিসেম্বর : উত্তরপূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রক আয়োজিত প্রাণবন্ত অষ্টলক্ষ্মী মহোৎসবে একটি ক্রেতা বিক্রেতা সম্মেলন-এর আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলির ক্রেতাদের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অংশের বিক্রেতাদের সাক্ষাৎ ঘটানো হচ্ছে। নতুন দিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য উত্তরপূর্ব ভারতের কারুশিল্পী এবং ক্রেতাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন।
এই সম্মেলনের ফলে, উত্তরপূর্বাঞ্চলের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে সরাসরি বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হবে। বিশেষ করে, বস্ত্র শিল্প, রেশম শিল্প, হস্তচালিত তাঁত ও কারুশিল্প, রত্ন, গহনা, কৃষি ও উদ্যান শিল্প এবং পর্যটন ক্ষেত্রে। এর ফলে একলপ্তে বেশি পরিমাণ বরাত পাওয়া যাবে, দীর্ঘ মেয়াদী সম্পর্ক স্থাপন হবে এবং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য তাৎক্ষণিক বাণিজ্যিক চুক্তিও হবে।
উত্তরপূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রক, নর্থইস্টার্ন হ্যান্ডিক্রাফটস অ্যান্ড হ্যান্ডলুম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (এনইএইচএইচডিসি), ওপেন নেটওয়ার্ক ফর ডিজিটাল কমার্স (ওএনডিসি)-এর শীর্ষ আধিকারিকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
উদ্বোধনী অধিবেশনে এনইএইচএইচডিসি-র উপদেষ্টা উত্তরপূর্বাঞ্চলের সুবিধা এবং লগ্নির সুযোগের কথা তুলে ধরেন। ওএনডিসি-র মুখ্য বাণিজ্য আধিকারিক বলেন যে, কারিগরি প্রযুক্তি ভিত্তিক উদ্যোগ ওএনডিসি-র লক্ষ্য সারা দেশে ই-কমার্সের কাজকর্ম ছড়িয়ে দেওয়া। এই উদ্যোগের ফলে ই-কমার্সের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে শুধু তাই নয়, সারা ভারতে স্টার্টআপ-এর বৃদ্ধি ঘটবে। ওপেন প্রোটোকলের মাধ্যমে সুলভে ই-কমার্সের ব্যবস্থা করে ওএনডিসি স্টার্টআপগুলিকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর উপযোগী করে তুলবে। তিনি এও বলেন, এনইএইচএইচডিসি-র সঙ্গে একযোগে ওএনডিসি উত্তরপূর্বাঞ্চলে হস্তশিল্পী, বুননশিল্পী এবং বিক্রেতাদের এক মঞ্চে এনেছে, যাতে তাদের বাজারের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ে। এনইএইচএইচডিসি-র এমডি মন্ত্রকের উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং জানান যে, এই ধরনের উদ্যোগ উত্তরপূর্বাঞ্চলের স্থানীয় পণ্যের প্রসার ঘটাতে সাহায্য করবে শুধু তাই নয়, অঞ্চলের স্থানীয় হস্তশিল্পী, বুননশিল্পী এবং বিক্রেতাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটাতেও সহায়তা করবে।
মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব বলেন, উত্তরপূর্বাঞ্চল আত্মবিশ্বাসী সমৃদ্ধির বিষয়ে। প্রয়োজন যথাযথ লগ্নি, তাহলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উত্তরপূর্বাঞ্চল নেতৃত্ব দিতে পারবে। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকার তাদের উদ্যোগ ও কর্মসূচির মাধ্যমে ওই অঞ্চলে লগ্নির অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলেছে। তিনি আরও জানান, ৮টি রাজ্যই বিনিয়োগকারীদের অভিনব সুযোগ দিচ্ছে লগ্নি করার। মন্ত্রকের পাশাপাশি উত্তরপূর্বাঞ্চলের সবকটি রাজ্য ওই অঞ্চলে লগ্নিকারকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
