ওয়েব ডেস্ক; ৩ জানুয়ারি : কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রী গিরিরাজ সিং ০৪.০১.২০২৫ তারিখে আইআইএইচটি ফুলিয়ার নতুন চত্বরের উদ্বোধন করবেন। তাঁত শিল্পের বৈশিষ্ট্য রক্ষা এবং এই শিল্পে প্রযুক্তির প্রশ্নে দক্ষতাসম্পন্ন মানবসম্পদের চাহিদা মেটাতে ভারত সরকার ৬টি ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ হ্যান্ডলুম টেকনোলজি গড়ে তুলেছে সালেম, বারাণসী, গুয়াহাটি, যোধপুর, বরগড় এবং ফুলিয়ার মতো তাঁত শিল্প কেন্দ্রে। এই প্রতিষ্ঠানগুলি ভারত সরকারের বস্ত্র মন্ত্রকের ডেভেলপমেন্ট কমিশনার (হ্যান্ডলুমস্‌) – এর আওতাধীন।
ফুলিয়ার অত্যাধুনিক ভবনটির জন্য ভারত সরকার ৭৫.৯৫ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে। ৫.৩৮ একর জমির ওপর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় গড়ে ওঠা এই বাড়িটিতে রয়েছে স্মার্ট ক্লাসরুম, ডিজিটাল লাইব্রেরী, কম্প্যুটার ল্যাব, টেক্সটাইল টেস্টিং ল্যাব, টেক্সটাইল প্রসেসিং ল্যাব, উইভিং ল্যাব, জেনারেল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব ইত্যাদি। এই চত্বরে শিক্ষার্থীদের এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বসবাসের ব্যবস্থাও থাকছে।
উদ্বোধনী সমারোহে মাননীয় মন্ত্রী “মায়ের সম্মানে একটি গাছ” কর্মসূচির আওতায় অন্য বিশিষ্ট জনেদের সঙ্গে চারাগাছ রোপণ করবেন।
দেশের সবকটি আইআইএইচটি মিলিয়ে শীর্ষ স্থানাধিকারী ১০ জনকে পদক এবং শংসাপত্র প্রদান করবেন কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রী।
এই অনুষ্ঠানে দেশের ৬টি কেন্দ্রীয় আইআইএইচটি-র সমন্বিত ওয়েবসাইট এবং “কম্প্যুটার এডেড ফিগার্ড গ্রাফ ডিজাইনিং ফর জ্যাকার্ড উইভিং” শিরোনামের একটি বই প্রকাশ করা হবে। উপস্থিত থাকবেন মাননীয় কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার, পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের একাধিক কেন্দ্রের বিধায়ক এবং কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা।
নতুন এই চত্বর পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খন্ড এবং সিকিমের শিক্ষার্থীদের পক্ষে খুব সুবিধাজনক হয়ে উঠবে। গ্রাম ও আধা-শহর এলাকার পড়ুয়ারা এখানে প্রশিক্ষণ লাভ করে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি, ফুলিয়া ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের মানুষের জীবিকার প্রশ্নেও এই প্রতিষ্ঠান ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ভারতে কুটির শিল্পের ক্ষেত্রে বস্ত্র বয়ন এক গুরুত্বপূর্ণ দিক। গ্রাম ও আধা-শহর এলাকায় লক্ষ লক্ষ মানুষের রুজি-রুটি এর উপর নির্ভরশীল।