ওয়েব ডেস্ক; ১৮ মার্চ : ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকমিউনিকেশন (ডিওটি) বা টেলিকম দফতর ২০২৫-এর ৫-জি ইনোভেশন হ্যাকাথনের ঘোষণা করেছে। ৬ মাসের এই উদ্যোগের লক্ষ্য সামাজিক এবং শিল্প সংক্রান্ত নানাবিধ সমস্যার ৫-জি সমাধানের জন্য উদ্ভাবনে উৎসাহ দেওয়া। ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি স্টার্টআপগুলি এবং পেশাদাররাও যোগ দিতে পারেন। পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। সুযোগ মিলবে একশোর বেশি ৫-জি ইউজ কেস ল্যাবে কাজ করার।
এআই-ড্রিভেন নেটওয়ার্ক মেন্টেনেন্স, আইওটি এনাবেল্ড সলিউশন, ৫-জি ব্রডকাস্টিং, স্মার্ট হেল্থ ইত্যাদির মতো প্রধান ৫-জি প্রয়োগে নজর রেখে হ্যাকাথনের জন্য প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। অংশগ্রহণকারীরা যাতে তাঁদের উদ্ভাবনকে আরও উন্নতস্তরে নিয়ে যেতে পারে, তারজন্য সহায়তা করা হবে। মেধাস্বত্ব লাভের জন্য সহায়তা করা হবে।
প্রস্তাব দেওয়া থেকে চূড়ান্ত মূল্যায়ন পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায় আছে, যেগুলি খুব মনোযোগ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীরা তাঁদের নিজস্ব ধারণা, নির্দিষ্ট কোনো সমস্যা এবং তার সমাধানের পাশাপাশি প্রত্যাশিত প্রভাব উল্লেখ করে প্রস্তাব জমা দিতে পারবেন। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ৫ টি করে প্রস্তাব সুপারিশ করার সুযোগ পাবে। টেলিকম দফতর বাছাই করার পর আঞ্চলিক কমিটিগুলি পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবারও একবার বাছাই করবে। দেড়শো থেকে দুশো টি দলকে আঞ্চলিকভাবে তালিকাভুক্ত করা হবে। তাদের মধ্যে থেকে শীর্ষস্থানাধিকারী ২৫ থেকে ৫০টি দলকে স্থান দেওয়া হবে প্রগতি পর্বে। প্রত্যেককে দেওয়া হবে ১ লক্ষ টাকা করে। ১৫ জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ৩ মাস সময় দেওয়া হবে উপস্থাপন করার জন্য।
চূড়ান্ত পর্যায় অনুষ্ঠিত হবে সেপ্টেম্বরের শেষে। টেকনিক্যাল এক্সপার্ট ইভ্যালুয়েশন কমিটির সামনে দলগুলি প্রদর্শন করতে পারবে। ওই কমিটিতে থাকবেন সরকার, শিক্ষাজগত এবং শিল্প মহলের ৫ থেকে ৭ জন করে বিশেষজ্ঞ। মূল্যায়ন হবে ৪ টি প্রধান বিষয়ে : টেকনিক্যাল এক্জিকিউশন, স্কেলেবিলিটি অ্যান্ড মার্কেট রেডিনেস, সোশিয়েটাল অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল ইমপ্যাক্ট এবং নভেলটি।
অক্টোবর মাসে বিজয়ী দলের নাম ঘোষণা করা হবে। তারা তাদের উদ্ভাবন প্রদর্শন করতে পারবে ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেস (আইএমসি) ২০২৫-এ। প্রথম স্থানাধিকারী পাবে ৫ লক্ষ টাকা। প্রথম রানার আপ পাবে ৩ লক্ষ টাকা। দ্বিতীয় রানার আপ পাবে দেড় লক্ষ টাকা। সেরা ভাবনা এবং সবচেয়ে উদ্ভাবনী কৌশলকে দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে।
