ওয়েব ডেস্ক; ২৭ মার্চ : ভারতীয় এবং ফরাসি নৌ-বাহিনীর যৌথ নৌ-মহড়া ‘বরুণ, ২০২৫’ ১৯-২২ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। এই উদ্যোগ দ্বিপাক্ষিক নৌ-সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ দিককে তুলে ধরেছে।

এই পর্বের মহড়ায় নানাবিধ কৌশলকে যুক্ত করা হয়। জটিল পরিস্থিতিতে অভিযান চালাতে গিয়ে যে জাতীয় দক্ষতার প্রয়োজন হয়, যৌথ নৌ-মহড়ায় তা তুলে ধরা হয়েছে। অ্যাডভান্সড এয়ার ডিফেন্স ড্রিলে ভারতের মিগ-২৯কে এবং ফরাসি রাফায়েল-এমকে অংশ নিতে দেখা যায়। একেবারের যুদ্ধের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিপক্ষের আক্রমণকে কিভাবে প্রতিহত করা যায়, আকাশপথে যৌথ মহড়ায় তা ফুটে ওঠে। এর পাশাপাশি, সাবমেরিন বিধ্বংসী যুদ্ধ কৌশলকেও দক্ষতার সঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়। ভারতীয় সাবমেরিন এবং সাবমেরিন বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ সহ উভয় পক্ষের শক্তি এখানে প্রদর্শিত হয়। সমুদ্রপথে দীর্ঘকালীন সুস্থায়ী অভিযান চালাতে গিয়ে যুদ্ধজাহাজগুলির পারস্পরিক সমন্বয় এবং লজিস্টিক্সের ব্যবহার কতখানি গুরুত্বপূর্ণ তাও ফুটে ওঠে। অতীতের পর্বগুলি থেকেও এবারের এই পর্বে আরও উন্নতমানের রণকৌশল প্রদর্শিত হয়েছে।

ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় সুস্থায়িত্বের প্রসার এবং সমুদ্রপথে শৃঙ্খলা রক্ষার নীতি এই যৌথ মহড়ার মধ্য দিয়ে পারস্পরিক বিশ্বাসের দিক প্রতিফলিত করে। সমসাময়িক সামুদ্রিক সুরক্ষা ক্ষেত্রে যে চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে, সেক্ষেত্রে যৌথ সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মহড়ায় উভয় পক্ষই পারস্পরিক রণকৌশলের শ্রেষ্ঠত্বের দিকগুলি পর্যবেক্ষণ করেছে। ভারত-ফ্রান্স প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে শুরু থেকেই ‘বরুণ’ মহড়া এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এতে উভয় পক্ষই সমুদ্র নিরাপত্তায় পারস্পরিক নির্ভরশীলতার গুরুত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথকে সুরক্ষিত করতে পারস্পরিক দায়বদ্ধতার অঙ্গ হিসেবে ভারত-ফ্রান্স অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে চলে।